ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৮৯)
لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَّرِزْقٌ كَرِيمٌ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ক্ষমা, উত্তম রিযিক, সম্মান, মর্যাদা, শান-মান মুবারক রয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে অর্থ মুবারকটা কি হলো, এটাতো ভাষায় বলা কঠিন বিষয়। সেটাই বলা হচ্ছে যদি
إِنْ كَانَتْ سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ اُمُّ الْمُؤْمِنِينَ الثَّالِثَةُ الصِّدِّيْقَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ خَبِيثَةً, فَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَبِيثٌ، فَهُوَ كَافِرٌ
নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! যদি উনাকে সেই বিপরীতটা বলা হয় তাহলে যিনি মাহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হয়ে যাচ্ছেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! কাজেই তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড। সে কাট্টা কাফির। তাকে ক্বতল করতে হবে সেটাই আমি করেছি। তাকে আমি শাস্তি মৃত্যুদন্ড দিয়েছি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলেতো বিষয়টা ফিকির করতে হবে উনাদের শান-মান কতটুকু। সামান্যতম চূ-চেরা করলে তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড, এতে কোন রেহাই নেই। এখন যমীনে মানুষ দিতে পারুক বা না পারুক, এটা জারি হোক বা না হোক পরকালে কিন্তু তার জন্য কঠিন শাস্তি রয়ে গেছে। এটা থেকে সে বাঁচতে পারবে না। বাঁচার তার কোন ব্যবস্থা নেই। তাকে কঠিন শাস্তি দিতেই হবে, এতে কোন রেহাই নেই। সেটাই বলা হচ্ছে যে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক কতটুকু? উনারা যে একক, অনন্যা। উনারা কারো মতো নন। উনারা পবিত্রতা দানকারী এবং উনাদের উপর সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। এখানে চূ-চেরা, কীল-কাল করা যাবে না।
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে কোন চূ-চেরা, কীল-কাল করা যাবে না। এখন যদি কেউ করে তাহলে কি হবে? তাদের শাস্তি হচ্ছে একমাত্র মৃত্যুদন্ড। কত মৃত্যুদন্ড? সেটা কিন্তু মহাসম্মনিত কুরআন শরীফে বলা হয়েছে। এখানে যেমন বলা হলো এই বুযূর্গ ব্যক্তি আহলে বাইতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শাস্তি দিলেন, বললেন। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে যে এই সমস্ত দোষত্রুটি মিশ্রিত করে তার জন্য শাস্তি হচ্ছে-
اسْتَحَقَّ عَلَيْهِ الْقَتْلَ فَقَتَلْتُهُ
সে ক্বতলের উপযুক্ত হবে, তাকে ক্বতল করতে হবে। ফয়সালা শেষ। এরপর বলা হচ্ছে কি? যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন। কি বলে দিচ্ছেন, বলে দিচ্ছেন পরবর্তী সময় কতটুকু শাস্তি হবে, তার শাস্তি কতটুকু?
إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَن تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا
এখানে বলা হচ্ছে, নিশ্চয়ই যারা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে অশ্লীলতা ও অশালীনতা প্রচার-প্রসার করাকে পছন্দ করে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
তাদের জন্য ইহকাল-পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে। কত কঠিন শাস্তি?
وَاللهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ.
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! তিনিই শুধু জানেন তোমরা সেটা জানো না। হযরত রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার জন্য খাদ্যসহ খাঞ্জা নাযিল করার দিনে খুশি প্রকাশ না করলে এমন শাস্তি দেয়া হবে যে, সৃষ্টির কাউকে দেয়া হয়নি। এটাই যদি এরকম হয় তাহলে উনাদের শান মুবারকে কেউ চূ- চেরা, কীল-কাল করে, অপবাদ দেয়, অপপ্রচার করে তাহলে তাকে কত শস্তি দেয়া হবে? সেটা কিন্তু ভাষা দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। হযরত রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনারটা কিন্তু ভাষা দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছে, এটা সম্ভব না। এতো কঠিন শাস্তি দেয়া হবে, একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি শুধু জানেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!