পবিত্র দ্বীন ইসলামে সমস্ত প্রকার খেলাধুলা হারাম,নাজায়িজ,কুফরী। ক্রিকেট,ফুটবল যত প্রকার খেলাধুলা আছে সবগুলোই পবিত্র দ্বীন ইসলামে সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ। মহান আল্লাহ পাক এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একাধিক আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন। এরকম একখানা আয়াত শরীফ:
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী কোনোকিছুুু ক্রীড়াচ্ছলে (খেলাচ্ছলে) সৃষ্টি করিনি
(সূরা দুখান শরীফ: আয়াত শরীফ ৩৮)
এই পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা স্পষ্ট কোনো খেলাধুলা করার জন্য মহান আল্লাহ পাক আমাদেরকে সৃষ্টি করেননি। যারা খেলাধুলা করে সুস্পষ্টভাবে বলা যায় তারা পবিত্র আয়াত শরীফ মানে না অর্থাৎ তারা পবিত্র কুরআন শরীফ অস্বীকার করে,অমান্য করে। আর পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একখানা হরফও যারা অস্বীকার করে তারা কাট্টা কাফির চির জাহান্নামী। আল্লাহ পাক যেখানে বললেন তোমাদেরকে খেলাচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলা করার জন্য আমি সৃষ্টি করিনি সেখানে উনার বান্দা,বান্দীগণ কি করে এসমস্ত খেলাধুলা করতে পারে? কি করে উনার নিষেধ মুবারক অমান্য করতে পারে?
অত্যন্ত আফসুসের বিষয় বড় বড় নামধারী উলামায়ে ছূ বক্তাগুলো স্টেজে উঠে খেলোয়াড়দের প্রশংসা করে এবং এরা নিজেরাও খেলাধুলা করে
"নাউযুবিল্লাহ"
এখন বিষয় হচ্ছে খেলাধুলা যদি হারাম হয় তাহলে এর বিপরীত তো আমাদের কোনো খুশি আল্লাহ পাক রেখেছেন। সেই হাসিখুশি থাকার বিষয়গুলো কি? এরকম প্রশ্ন অনেকের মাঝে আসতে পারে। হ্যা আপনি ঠিকই প্রশ্ন করেছেন। দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন পরিপূর্ণ জীবণব্যবস্থা। সেখানে খেলাধুলার বিপরীত তো অবশ্যই কিছু আছে। সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে এখন জেনে নিন।
একাধিক পবিত্র হাদীছ শরীফে খেলাধুলার বিপরীত বিষয়গুলো বর্ণিত আছে। যেমন তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ, ইবনে খুযাইমাহ শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত আছে,
ن من الحق كُلُّ شيْءيلَْهُوْ بِه الرَّجُل بَاطل إِلاَّ رَمْيَةٌ بِقَوْسٍ وَتَاْدِيْبُهُ فَرَسَه وَ مُلَاعَبَتُه إٍمْرأتَه فَإ
অর্থঃ মানুষের জন্য প্রত্যেক খেলা-ধুলা বাতিল, তবে তীর নিক্ষেপ,ঘোড়া দৌড় এবং নিজ আহলিয়ার (স্ত্রীর) সাথে আনন্দ ব্যতীত। কেননা এ তিন প্রকার হচ্ছে উপকারী
"সুবহানাল্লাহ"

সমস্ত হারাম মুক্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ মাধ্যম এখনি প্রবেশ করুন -sm40.com