সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৭)
অপর বর্ণনায় এসেছে,
وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ عِنْدِي مِائَةَ بِنْتٍ يَمُتْنَ وَاحِدَةً بَعْدَ وَاحِدَةٍ زَوَّجْتُكَ أُخْرَى
অর্থ: “যেই মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত কুদরতী হাত মুবারক—এ আমার সম্মানিত প্রাণ মুবারক উনার কসম, যদি আমার একশত জন বানাত (মেয়ে) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা থাকতেন এবং একজন উনার পর অপরজন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করতেন, তাহলে আমি একজন উনার পর আরেকজন এইভাবে আমার একশত বানাত (মেয়ে) আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে আপনার নিকট সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ দিতাম।” সুবহানাল্লাহ! (শরহে মুসনাদে আবী হানীফা ১/৪১৪, মিরক্বাত শরীফ ৯/৩৯২৬, জামি‘উল আহাদীছ শরীফ ১৬/২২, যাখায়েরুল ‘উক্ববাহ ১/১৬৬, তারীখুল খমীস ১/২৭৬, মাওয়াহিবুল লাদুননিয়্যাহ ১/৪৮১, সিমতুন নুজূম ১/৫১০, আর রিয়াদুন নাদ্বরাহ ১/২০২)
তাহলে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক কত বেমেছাল তা জিন—ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর চিন্তা ও কল্পনার বাইরে। সুবহানাল্লাহ!