নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ক্বিয়ামতের দিন ধনী দরিদ্র সবাই পছন্দ করবে যে, হায়! আমার জন্য কতই না উত্তম হতো যদি আমি পার্থিব জীবনে কেবলমাত্র জীবন যাপন পরিমাণ সম্পদ কামাই করতাম। অর্থাৎ সামান্য পরিমাণ সম্পদ অর্জনে সন্তুষ্ট থাকতাম। তাহলে অতি উত্তম হতো। (মুকাশাফাতুল কুলুব-১৮২)
তিনি আরো বলেন-
অর্থ: হে মানব সমাজ! তোমরা ধন-সম্পদ উপার্জনের ক্ষেত্রে সময় কমিয়ে দাও। কেননা প্রত্যেক ব্যক্তিই ততটুকু লাভ করতে পারবে যা তার তাকদীরে (বরাদ্দ) রয়েছে। আর কেউই দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না: তার তাকদীর বা বরাদ্দকৃত রিযিক ভোগ না করবে।
(মুসতাদরাকে হাকিম)
অর্থাৎ বরাদ্দের বেশি অর্জন করতে পারবে না। আর বরাদ্দকৃত সম্পদ ভোগ না করা পর্যন্ত কেউ ইন্তিকাল করবে না। কাজেই, ধন-সম্পদ উপার্জনের ক্ষেত্রে অধিক সময় ব্যয় করা কখনোই বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেটাই ইরশাদ মুবারক করেন,। দুনিয়াতে তারাই সম্পদ কুক্ষিগত করে রাখে যাদের আক্বল নেই বা বেয়াকুফ। নাউযুবিল্লাহ!