পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُمَا قَالَ أَقَامَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ عَشْرَ سِنِينَ يُضَحِّىْ
অর্থ: হযরত ইবনে উমার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত| তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মদীনা শরীফ-এ দশ বছর অবস্থান মুবারক করেছেন এবং প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানী মুবারক করেছেন| সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ- হাদীছ শরীফ নং ১৫০৭, মুসনাদে আহমদ ২/৩৮, মিশকাতুল মাছাবীহ, মিরকাতুল মাফাতীহ ইত্যাদি)
এই হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় হযরত মোল্লা আলী কারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
وَمِمَّا يَدُلُّ عَلَى الْوُجُوبِ مُوَاظَبَتُهُ عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَشْرَ سِنِينَ مُدَّةَ إِقَامَتِهِ بِالْمَدِينَةِ
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মদীনা শরীফে ১০ বছর অবস্থান মুবারককালে নিরবিচ্ছিন্নভাবে (প্রতি বছর পবিত্র কুরবানী মুবারক করা দ্বারা) পবিত্র কুরবানী ওয়াজিব প্রমাণিত হয়। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাছাবীহ ৩/১০৭৭)
কাজেই প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য কুরবানী করা ওয়াজিব।