বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭২)
(ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহে মহান আল্লাহ পাক উনার ৩ খানা
সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক প্রকাশের বর্ণনা

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১০ই শাওওয়াল শরীফ লাইলাতুল আহাদ শরীফ (রবিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক—এ ইরশাদ মুবারক করেন, “যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِىْ شَاْنٍ
‘মহান আল্লাহ পাক তিনি একেক দিন, একেক সময় একেক শান মুবারক—এ থাকেন।’ সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আর রহমান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২৯)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যা হচ্ছেন— মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্বদীম (অনাদী) এবং আযালী (চিরন্তন)। তিনি হাদেছ (সৃষ্টি) নন। উনার যাবতীয় সম্মানিত ও পবিত্র ছিফত মুবারকও ক্বদীম ও আযালী। তাই, তিনি নতুন কোনো কাজ শুরু করেন না। তিনি শুরুতে যা করেছেন, এখনও তাই করেন। তবে, উনার ক্বদীমী (অনাদী) এবং আযালী (চিরন্তন) সম্মানিত শান মুবারক থেকে কোনো কোনো শান মুবারক, কখনও কখনও প্রকাশ পান। সুবহানাল্লাহ!