আপনি কি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতে দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেতে চান?
নিশ্চয়তা পাওয়ার সেই আমলটি কি?
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলিইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারক - উনার তরফ থেকে কুরবানী করা যা ফরয কুরবানী হিসেবে অবহিত।

এই কুরবানী করলে কি হবে? আপনি কি কি পাবেন? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি একবার দরূদ শরীফ পাঠ করলে ১০টি রহমত পাওয়া যায়। তাহলে উনার তরফ থেকে কুরবানী করলে, কি পাওয়া যাবে?
- নিজের ওয়াজীব কুরবানী তো কবুল হবেই, সাথে সাথে আরও অনেক সফলতার নিশ্চয়তা রয়েছে, যেমন:

১) অতীতের গুনাহখাতা ক্ষমা করা হবে। প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি গুনাহখাতা মাফ করা হবে। পশুর অগনিত পশমের জন্য গুনাহখাতা মাফ হয়ে মাছুম হয়ে যাবেন।

২) বর্তমানে প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি নেকী পাওয়া যাবে, ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি হবে, আবার মুত্তাকী হিসেবে কুদরতী রিযিকের ফায়সালা হবে। (সূরা মায়িদা শরীফ : আয়াত শরীফ ২৭, সূরা আত-তালাক শরীফ ২-৩)।

৩) ভবিষ্যতে- যিনি কুরবানীর পশুর পেট চিরবেন হাশরের ময়দানে তার কোন কষ্ট লাগবে না। উনাকে হাউজে কাউসার শরীফ উনার পানি পান করানো হবে। তিনি জান্নতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আর পিপাসার্ত হবেন না। তারপর, মীযানে সত্তরগুণ বৃদ্ধি করে কুরবানীর পশুর হাড়, সিং, খুড়, পশম, চামড়া, ইত্যাদি ৭০ গুন বৃদ্ধি করে নেকির পাল্লায় চাপিয়ে দেয়া হবে। ফলে ডানদিকের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। উনার জান্নাত ফয়সালা হবে। সুবহানাল্লাহ! আর কুরবানীর পশুটি পুলিসিরাত পার হওয়ার বাহন হবে (আরিযাতুল আহওয়াযী লী শরহে তিরমিযী)।

জান্নাতে- পশুর দেহের প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বালাখানা, পশুর মাথার প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ জন হুর মুবারক দেয়া হবে, পশুর প্রতিটি হারের টুকরার বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বোরাক, পশুর প্রতিটি গোস্তের টুকরার বিনিময়ে ১টি করে জান্নাতি পাখি পাওয়া যাবে।

সেই জন্য আপনি নিজে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষে ফরজ কুরবানী করুন এবং এবং অন্যদেরকেও এই বিষয়টি পৌঁছে দিন। কারণ- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা বলেছেন- “আমার তরফ থেকে একটি আয়াত শরীফ হলেও তা ছড়িয়ে দিন”।

তাহলে একদিকে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিন্ত হবে এবং অন্যদের প্রতি আপনার দায়িত্ব পালন থেকেও মুক্তি পাবেন। “যেদিন অর্থাৎ কেয়ামতের দিন একজন মানুষ তার ভাই, তার মা, তার পিতা, তার সঙ্গী এবং তার সন্তানদের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে! (পবিত্র সূরা আবাসা শরীফ, ৩৪-৩৬)” কারণ কেয়ামতের ময়দানে তারা আপনাকে আটকাবে। এই উছিলায় অর্থাৎ এই ফরজ কুরবানী যদি তারা করতে পারে তাহলে তারা মুক্ত হবে এবং আপনিও মুক্ত হয়ে যাবেন। আপনাকে আর আটকাবে না।

আর যদি না করা হয় তাহলে- অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকবে। তার পুলসিরাতের বাহন পাবেনা, জান্নাতি বালাখানা পাবে না, কোন নিয়ামতই সে পাবে না। সে উম্মত থেকে খারিজ হয়ে যাবে। কারণ হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “সামর্থ থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কুরবানী করবেনা সে যেনো আমাদের ঈদগাহের নিকটে না আসে।” (মুসনাদে আহমদ শরীফ)।

আপনার টাকা-পয়সা থাকলে এই ফরয কুরবানী করুন। এটা আপনার জীবনের শেষ সুযোগ হতে পারে। পরে আপনি এই সুযোগ নাও পেতে পারেন। এই এক সুযোগে অনেক প্রাপ্তি- অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত তেমনি অন্যদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেও মুক্তি।

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে ফরজ কুরবানী করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!
যাদের সামর্থ নেই, তাদের জন্য দায়িত্ব হচ্ছে- ১০ জন, ২০ জন, ৩০ জন, ৪০ জন, ৫০ জন মিলে হলেও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক করা।” সুবহানাল্লাহ!
আপনি জেনে খুশি হবেন নুরে মুজাস্সাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানীত তরফ থেকে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদ্রাসা,ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহ খানায় হাজারের উপর পশু কুরবানী দেয়া হয় প্রতি বছর আপনি(ধনী/গরীব /ছাত্র /শিক্ষক /পুরুষ /মহিলা/পয়সা ওয়ালা/ঋণগ্রস্ত যেই হন) এই বরকতময় কুরবানীতে অংশগ্রহণ করুন,পুর্ণ একটি পশু/এক শরীক/সাধ্যমত যে কোন পরিমাণে টাকা। তাহলে আপনিও হাজারের উপর পশু কুরবানির ফজিলত পাবেন। ইনশাআল্লাহ। যোগাযোগ -01722056065 বিকাশ নগদ পার্সোনাল