নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে ওছীয়ত মুবারক অর্থাৎ আদেশ মুবারক করেছেন আমি যেন উনার পক্ষ থেকে আবাদুল-আবাদ অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে পবিত্র কুরবানী করি।’ সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ওছীয়ত মুবারক পালন করা প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের নির্দেশনা অনুযায়ী- সামর্থ্যবান সকলের জন্য এবং সামর্থবান নয় এরুপ সকলের জন্যও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ হতে কুরবানী করা আবশ্যক।যা পবিত্র কুরবানীদাতার পবিত্র কুরবানী নিশ্চিতভাবে কবুল হওয়ার একটি অন্যতম উসীলা হবে।
আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সকল উম্মতের তরফ থেকে পবিত্র কুরবানী মুবারক করেছেন।
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানীত তরফ থেকে কুরবানী মুবারক- করে সকল শরীক সমানভাবে গোশত বণ্টন করে নিবে।যদি ৪০ জন ব্যক্তি ১০০০ টাকা করে ৪০,০০০ টাকা দিয়ে একটা গরু কিনে পবিত্র কুরবানী করে গোশত বণ্টন করে নেয় ।তদ্রপ একটা খাসি তিনজনে মিলে পয়সা দিয়ে খরিদ করে যদি এক নামে পবিত্র কুরবানী করে গোশত বণ্টন করে নেয়।
পবিত্র কুরবানী উনার দিন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হচ্ছে- পবিত্র কুরবানী করা, তাও আদায় হলো। আর পবিত্র কুরবানী উনার বরকতময় গোশতও লাভ হলো। সাথে সাথে গুনাহর কাজ থেকেও বাঁচা হলো।
মুসলমান উনারা নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত তরফ থেকে কুরবানী করার ফজিলত পেতে পারবেন ,সহজেই।সুসংবাদ:প্রতিবছরই হাজারের উপর পশু নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত তরফ থেকে কুরবানী দেয়া হয় মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহখানায়। আপনিও যে কোন পরিমাণে হাদিয়া করুন বিকাশ এজেন্ট 01739466730