ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে জামাতি ও সালাফি মতবাদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে
, ২৯ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৮ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৮ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০৪ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) তাজা খবর

নিজস্ব সংবাদদাতা:

বাংলাদেশের বেশিরভাগ মুসলমান আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা ও হানাফী মাযহাবের অনুসারী। দেশের খ্যাতনামা আলেম ও ফকিহ দ্বারা রচিত ২০১০ সাল থেকে নতুন পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে বিগত ১৬ বছর পাঠদান চলে আসছে। ২০২৬ সালের জন্য পরিমার্জন করতে গিয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আকাইদ, ফিকহ্ ও আখলাকের ক্ষেত্রে জামাতি আকিদা সালাফিজমকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

এর নেতৃত্বে ছিলো বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিয়া নুরুল হক। সে জামাতের রোকন। আরেকজন ছিলো কট্টর সালাফী ও জামাত নেতা, বর্তমানে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ ডঃ হেদায়েত উল্লাহ।

তবে যে সমস্ত বিশেষজ্ঞ দ্বারা আকাইদ ও ফিকহের পরিমার্জন করা হয়েছে তারা হলো- বাংলাদেশ ইসলামী ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আ ন ম রশিদ আহমদ মাদানী, সৌদি এমবাসি সালাফী, তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, টঙ্গী শাখার মুহাদ্দিস ডঃ মোয়াজ্জেম হোসাইন আজহারী এবং জামাতের দায়িত্বশীল রফিকুল ইসলাম মিয়াজী ও নুরুল ইসলাম।

এ পরিমার্জন সংস্করণ সম্পাদনা কমিটিতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের অনুমোদনে যাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা সবাই বিশেষ দল ও মতবাদের অনুসারী। যারা অতিসংগোপনে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আকাইদ ও ফিকহ বইয়ে তাদের নিজস্ব আকিদা ও আমল সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। এমনকি ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণী সমূহের রচয়িতাগণের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। দেশবরেণ্য আলেম কবি মাওলানা রুহুল আমিন খান, ড. একে এম মাহবুবুর রহমান, উপাধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাশেম ফজলুল হকের নাম বাদ দিয়ে যারা রচনা করেননি এমন লোকদের নাম প্রতিস্থাপিত হয়েছে। যা ফৌজদারী আইনে দন্ডনীয় অপরাধ।