মুনাফিকদের কাছে তাদের নিজেদের জীবনেরও কোন হিসাব নেই ! তাদের লিখা- বলা প্রতিটা শব্দে শব্দে নিফাকের ফোটা ঝরে নাউজুবিল্লাহ!

এদের চরিত্র পবিত্র কুরআন শরীফ বর্ণিত মুনাফিকদেরই
চরিত্র,নাউজুবিল্লাহ ! তাদের সাথে সর্ব প্রকার দূরত্ব বজায় রাখাই ঈমান আমল হিফাজতের জন্য জরুরি।
মূলত তারা নাম-পরিচয়হীন ভাবে ফিৎনা ফাসাদ সৃষ্টিকারী মুনাফিক । অন্যতায় তারা এমন কথা লিখতে পারতো না, বলতে পারতো না ।
সাইয়্যেদুনা হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম হয়তোবা তিনি দুনিয়াবি দৃষ্টিতে সর্বোচ্চ মানের(বৈধ)চাকুরী করতেন কিন্তু সেটাও ত্যাগ করেছেন, ছেড়ে দিয়েছেন বহু বছর পূর্বে সুবহানাল্লাহ ! কতটা দুনিয়া বিমূখ হলে এই বর্তমান দুনিয়ায় এরকম সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে দেয়া যায়! তা কি দিয়ে বুঝানো সম্ভব ? ! এটাতো হযরত ইব্রাহীম ইবনে আদহাম রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার মত বাদশাহী ছেড়ে ছালার চট পরিধান করে ঝঙলবাসী হওয়ার চেয়েও শ্রেষ্ঠ, সুবহানাল্লাহ!
কারণ তিনি দুনিয়া ছেড়ে ছালার চট না পড়ে,জঙ্গলে না গিয়ে খাস সন্নতী জীবন-যাপন আঁকড়ে ধরে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল মিশন দাওয়াত-তাবলিগে আত্মনিয়োগ করেছেন, সুবহানাল্লাহ।
যার বিনিময়ে আমাদের মত হাজারো লাখো মানুষ সম্মানিত ইমান ইসলামের বিশুদ্ধ তালিম-তরবিয়তে ধন্য হচ্ছি, সুবহানাল্লাহ!

অন্যদিকে মুনাফিকদের এমন বিষাক্ত আঘাতে প্রতি নিয়ত জর্জরিত হচ্ছেন যেমনটা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল ।

মুনাফিকদের কথায় মনে হয় ! তিনি লাখ লাখ টাকার চাকুরী ছেড়ে এই সকল মুনাফিক-ফকিরদের কাছে
দু-চার আনা ভিক্ষা চাইতে বসেছেন ! নাউজুবিল্লাহ! নাউজুবিল্লাহ!! নাউজুবিল্লাহ!!!
সাধারণ ইনসাফ থাকলেও তারা এমনটা ধারনা করতো না।
একটু ফিকির করলেই বুঝা যায় !
আমাদের মতো ফকির মার্কা লোক গুলোও পারি না কথিত দুনিয়াবি আত্মমর্যাদা ত্যাগ করে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব মাহবুব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের চাওয়া সম্মানিত ইসলাম উনার অন্যতম ভিত্তি ফরজ যাকাতসহ অন্যান্য দ্বীনি খাতে মানুষের কাছে চাইতে/ আদায় করতে!
তাহলে উনারা কেন ইসলাম উনার প্রতিটা বিষয়ে এতো
নছীহত করেন/ বলেন তা একমাত্র নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ ক্বায়েম-মাকাম হিসেবেই সম্ভব, সুবহানাল্লাহ!

উনাদের কথা-কাজ,চিন্তা-চেতনা,আমল-আখলাক,
আদর্শ-চরিত্র সব কিছুই দুনিয়াবি গন্ডির বহু উর্ধ্বে, সুবহানাল্লাহ! যা মূলত কুরআনী আদর্শ,নববী আদর্শের হাক্বীকি প্রতিফলন, সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!!সুবহানাল্লাহ!!!

যারা নিজেদের জন্য জাহান্নামের অতল গহ্বর ক্রয় করে নিয়েছে তারা সেটা বুঝবে না,নাউজুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক আমাদের কুদরতি ভাবে হিফাজত করুন, আমীন।