ফতওয়া
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১২)

পবিত্র সুন্নত মুবারক ও আদেশ মুবারক এবং ওয়াছিয়ত মুবারক পালন করা ফরয যা ক্বেতঈ দলীল দ্বারাই সাব্যস্ত হয়েছে
তখন হাফিয সাহেব তা মেনে নিলেন।
সুতরাং উপরোক্ত কেত্বঈ দলীল—আদিল্লাহ্ ভিত্তিক আলোচনা দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আদেশ মুবারক, ওয়াছীয়ত মুবারক ও সুন্নত মুবারক পালন করা সমস্ত মুসলমান উনাদের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!
এখন মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো— যে যতটুকু পালন করতে পারবে, ততটুকুর জন্য শুকুর গুজারী করবে। আর যতটুকু সে পালন করতে পারবে না, ততটুকুর জন্য ইস্তিগফার ও তওবা করবে। এবং পরিপূর্ণভাবে পালনের জন্য দোয়া আরজু ও কোশেষ করতে থাকবে। তবে অবশ্যই সে এই কথা বলতে পারে না যে, এতো আদেশ মুবারক, ওয়াছিয়ত মুবারক ও সুন্নত মুবারক পালন করতে হয় না। বা প্রয়োজন নাই। নাউজুবিল্লাহ। এই প্রকার কথা বলা কাট্টা হারাম, নাজায়েয ও কুফরী। কারণ সমস্ত আদেশ মুবারক, ওয়াছিয়ত মুবারক ও সুন্নত মুবারক প্রয়োজন রয়েছে। তবে আমরা আমাদের অযোগ্যতা, অক্ষমতা, অপারগতা, দুর্বলতা, অলসতা, গাফলতী ও মূর্খতার কারণে তা পারি না। সেই জন্য ইস্তিগফার তওবা করতে হবে।
তাই, উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয।
অতএব, এই সমস্ত ক্বেতঈ দলীল মুবারকসমূহ দ্বারাই নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উম্মতের জন্য কুরবানী করা ফরজ সাব্যস্ত বা ছাবিত বা প্রমাণিত হয়েছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওয়ারিছ। যার কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে উনার তরফ থেকে আবাদুল আবাদ অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে অর্থাৎ প্রতি বছর সম্মানিত কুরবানী মুবারক করার জন্য সম্মানিত ওয়াছিয়ত মুবারক করেছেন এবং সম্মানিত আদেশ মুবারকও দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!