মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম
নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন
الشيخ لقومه كالنبى فى امته
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি উনার মুরীদের কাছে সেরূপ অনুসরণীয় ,যেরুপ উম্মতরা উনাদের নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাদের অনুসরণ করা বাধ্যতামুলক।
মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আখিরী রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। উনার পরে আর কোন নবী-রসূল আলাই হিমুস সারাম আর দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মোবারক নিবেন না।
তাহলে এখন ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ(জাহিরী ও বাতিনি ইলম) উম্মতরা কোথায় পাবেন?
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ(জাহিরী ও বাতিনি ইলম) উনার পরিপুর্ণ ধাক,বাহক,বিতরণকারী।
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতিনিধি।
অতএব মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরণ করা মানে সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করা।
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরণ করা মানে খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ পালন করা।
অতএব মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে মুহব্বত করা মানে খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত করা।
অতএব মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মারিফাত অর্জন করা মানে খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উনার মারিফাত অর্জন করা।
আখিরি উম্মত আমাদের জন্য নবুওয়্যাতের সমস্ত নেয়ামত ও নিসবত মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যমেই আসবে।
পথ একটাই।মত একটাই।
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মত খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মত।
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পথ খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পথ।
নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
العلماء امتى كانبياء ينى اسرائيل
আমার উম্মতের মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনারা বণী ইসরাঈলের নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের মত (অনুসরণীয়,অনুসরণ করতে হবে,বাধ্যতামুলক,ঐচ্ছিক নয়)।”
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনারা উম্মতদের ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ (জাহির ও বাতিন ইলম) শিক্ষা দিয়েছেন ,ঠিক উনাদেরই প্রতিনিধি মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলঅইহিস সালাম উনারা নবুওয়্যাতী ইলম (ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ) নিজের জীবনে বাস্তবায়িত করে উম্মতদেরকে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের পথে পরিচালিত করেন।
এককথায় মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অনুসরণ নিজের জীবনে বাস্তবায়ীত করা মানে নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু উনাকে অনুসরণ করা । কেননা নবুওয়্যাতের দরজা বন্ধ। এখন আর নবী-রসুল আসবেন না। তাহলে এখন মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অনুসরণ করলেই নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু উনাকে অনুসরণ করা হবে।
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনারা উম্মতদের ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ (জাহির ও বাতিন ইলম) শিক্ষা দিয়েছেন ,ঠিক উনাদেরই প্রতিনিধি মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলঅইহিস সালাম উনারা নবুওয়্যাতী ইলম (ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ) নিজের জীবনে বাস্তবায়িত করে উম্মতদেরকে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের পথে পরিচালিত করেন।
এককথায় মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অনুসরণ নিজের জীবনে বাস্তবায়ীত করা মানে নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু উনাকে অনুসরণ করা । কেননা নবুওয়্যাতের দরজা বন্ধ। এখন আর নবী-রসুল আসবেন না। তাহলে এখন মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অনুসরণ করলেই নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু উনাকে অনুসরণ করা হবে।
সম্মানিত পিতা ইমামুল আউয়াল হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার কিছু প্রশ্নের উত্তরে সম্মানিত সন্তান ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রাসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম+
১. সদাচরণ কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- ‘সততার মাধ্যমেই অসত্যকে প্রতিহত করা।’ সুবহানাল্লাহ!
ভদ্রতা কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- পরিবার-পরিজনের প্রতি ইহসান করা এবং তাদের অসদাচরণের মোকাবেলায় ধৈর্য ধারণ করা। সুবহানাল্লাহ!
২. উদারতা এবং দানশীলতা কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- সচ্ছল এবং অসচ্ছল উভয় অবস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় খরচ করা। সুবহানাল্লাহ!
৩. কমিনা কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- ইযযত-সম্মান বিলীন করে অর্থ সম্পদ রক্ষা করা। নাউযুবিল্লাহ!
৪. অমুখাপেক্ষিতা কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত নিয়ামতে তুষ্ট থাকা। সুবহানাল্লাহ!
৫. ধৈর্য কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- রাগ হজম করা এবং প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা। সুবহানাল্লাহ!
৬. সম্মান কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠাকরণের সময় ন্যায়ের পক্ষে ইস্তিকামত থাকা।
৭. অপমান কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- বিপদের সময় অস্থির এবং ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যাওয়া।
৮. ছল-চাতুরী এবং বানোয়াটি কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- অনর্থক কথা বলা।
৯. মহত্ত্ব কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- ঋণগ্রস্ত অবস্থায় দান খয়রাত করা এবং অপরাধীকে ক্ষমা করা। সুবহানাল্লাহ!
১০. নেতৃত্ব কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- সৎকর্মপরায়ণ হওয়া এবং পাপকার্য বর্জন করা।
১১. বোকামি কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- নিম্নশ্রেণীর লোকদের সাহচর্য অবলম্বন এবং পথভ্রষ্ট লোকদেরকে মুহব্বত করা। নাউযুবিল্লাহ!
১২. গাফলতী কাকে বলে?
জবাব মুবারকে তিনি বলেন- মসজিদ-বিমুখ হওয়া এবং অসৎ লোকদের আনুগত্য করা। নাউযুবিল্লাহ!
১৩. পবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যমণি সাইয়্যিদুনা ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অনেক সময় বলতেন, তিন কারণে মানুষ ধ্বংস হয়- (ক) অহংকার, (খ) লোভ এবং (গ) হিংসা। নাউযুবিল্লাহ!
১৪. তিনি বলেন, (ক) অহংকারের কারণে মানুষের পবিত্র ধর্মীয় অনুভূতি বিনষ্ট হয়, এ কারণেই ইবলিস অভিশপ্ত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
(খ) লোভ হচ্ছে নফসের দুশমন। যে কারণে ইবলিস পবিত্র জান্নাত থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
(গ) আর হিংসা পাপীদের গোয়েন্দা, এ কারণেই কাবিল সে হযরত হাবিল আলাইহিস সালাম উনাকে শহীদ করেছে। নাউযুবিল্লাহ!
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম
নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন
الشيخ لقومه كالنبى فى امته
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি উনার মুরীদের কাছে সেরূপ অনুসরণীয় ,যেরুপ উম্মতরা উনাদের নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাদের অনুসরণ করা বাধ্যতামুলক।
মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আখিরী রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। উনার পরে আর কোন নবী-রসূল আলাই হিমুস সারাম আর দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মোবারক নিবেন না।
তাহলে এখন ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ(জাহিরী ও বাতিনি ইলম) উম্মতরা কোথায় পাবেন?
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ(জাহিরী ও বাতিনি ইলম) উনার পরিপুর্ণ ধাক,বাহক,বিতরণকারী।
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতিনিধি।
অতএব মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরণ করা মানে সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করা।
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরণ করা মানে খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ পালন করা।
অতএব মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে মুহব্বত করা মানে খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত করা।
অতএব মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মারিফাত অর্জন করা মানে খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উনার মারিফাত অর্জন করা।
আখিরি উম্মত আমাদের জন্য নবুওয়্যাতের সমস্ত নেয়ামত ও নিসবত মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যমেই আসবে।
পথ একটাই।মত একটাই।
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মত খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মত।
মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পথ খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার যিনি হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন,খত্বামুন্নাবিয়্যীন নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পথ।
নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
العلماء امتى كانبياء ينى اسرائيل
আমার উম্মতের মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনারা বণী ইসরাঈলের নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের মত (অনুসরণীয়,অনুসরণ করতে হবে,বাধ্যতামুলক,ঐচ্ছিক নয়)।”
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনারা উম্মতদের ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ (জাহির ও বাতিন ইলম) শিক্ষা দিয়েছেন ,ঠিক উনাদেরই প্রতিনিধি মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলঅইহিস সালাম উনারা নবুওয়্যাতী ইলম (ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ) নিজের জীবনে বাস্তবায়িত করে উম্মতদেরকে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের পথে পরিচালিত করেন।
এককথায় মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অনুসরণ নিজের জীবনে বাস্তবায়ীত করা মানে নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু উনাকে অনুসরণ করা । কেননা নবুওয়্যাতের দরজা বন্ধ। এখন আর নবী-রসুল আসবেন না। তাহলে এখন মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত,মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অনুসরণ করলেই নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু উনাকে অনুসরণ করা হবে।
ফতওয়া
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১৩)
পবিত্র সুন্নত মুবারক ও আদেশ মুবারক এবং ওয়াছিয়ত মুবারক পালন করা ফরয যা ক্বেতঈ দলীল দ্বারাই সাব্যস্ত হয়েছে
প্রকৃতপক্ষে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যম দিয়ে সমস্ত উম্মতদেরকেই উনার তরফ থেকে আবাদুল আবাদ অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে অর্থাৎ প্রতি বছর সম্মানিত কুরবানী মুবারক করার জন্য সম্মানিত ওয়াছিয়ত মুবারক করেছেন এবং সম্মানিত আদেশ মুবারকও দিয়েছেন।
আর উনার এই সম্মানিত ওয়াছিয়ত মুবারক এবং সম্মানিত আদেশ মুবারক তিনি যা করেছেন, তা মূলত মহান আল্লাহ পাক উনারই সম্মানিত আদেশ মুবারক উনার অন্তর্ভূক্ত। সুবহানাল্লাহ! কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَا يَـنْطِقُ عَنِ الْـهَوٰى. اِنْ هُوَ اِلَّا وَحْىٌ يُّـوْحٰى
“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ওহী মুবারক ছাড়া কোনো কথা মুবারক বলেন না, কোনো কাজ মুবারক করেন না, কোনো সম্মতি মুবারক প্রকাশ করেন না।” সুবহানাল্লাহ!
অতএব এই ক্বেতঈ দলীলের মাধ্যমেই সমস্ত উম্মতের জন্য ফরযে আইন ছাবিত হয়েছে যে, সব সময় অর্থাৎ দায়িমীভাবে প্রতি বছর অনন্তকালধরে বংশ পরস্পরায় একজনের পর আরেকজন অর্থাৎ ইন্তেকালের পর তার পরবর্তী বংশধরগণ আবাদুল আবাদ অর্থাৎ ক্বিয়ামত পর্যন্ত ফরজ কুরবানী করে যেতেই থাকতে হবে, অর্থাৎ আবাদুল—আবাদ জারী রাখবে ও রাখতে হবে। কোন মতেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক করা বন্ধ রাখতে পারবে না বা বন্ধ করতে পারবে না। সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়; উম্মতের জন্য দায়িত্ব—কর্তব্য হচ্ছে— নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের তরফ থেকেও সম্মানিত কুরবানী মুবারক করা। এমনকি যাদের সামর্থ নেই, তাদের জন্য দায়িত্ব হচ্ছে— ১০ জন, ২০ জন, ৩০ জন, ৪০ জন, ৫০ জন মিলে হলেও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক করা।” সুবহানাল্লাহ!
ফতওয়া
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১২)
পবিত্র সুন্নত মুবারক ও আদেশ মুবারক এবং ওয়াছিয়ত মুবারক পালন করা ফরয যা ক্বেতঈ দলীল দ্বারাই সাব্যস্ত হয়েছে
তখন হাফিয সাহেব তা মেনে নিলেন।
সুতরাং উপরোক্ত কেত্বঈ দলীল—আদিল্লাহ্ ভিত্তিক আলোচনা দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আদেশ মুবারক, ওয়াছীয়ত মুবারক ও সুন্নত মুবারক পালন করা সমস্ত মুসলমান উনাদের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!
এখন মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো— যে যতটুকু পালন করতে পারবে, ততটুকুর জন্য শুকুর গুজারী করবে। আর যতটুকু সে পালন করতে পারবে না, ততটুকুর জন্য ইস্তিগফার ও তওবা করবে। এবং পরিপূর্ণভাবে পালনের জন্য দোয়া আরজু ও কোশেষ করতে থাকবে। তবে অবশ্যই সে এই কথা বলতে পারে না যে, এতো আদেশ মুবারক, ওয়াছিয়ত মুবারক ও সুন্নত মুবারক পালন করতে হয় না। বা প্রয়োজন নাই। নাউজুবিল্লাহ। এই প্রকার কথা বলা কাট্টা হারাম, নাজায়েয ও কুফরী। কারণ সমস্ত আদেশ মুবারক, ওয়াছিয়ত মুবারক ও সুন্নত মুবারক প্রয়োজন রয়েছে। তবে আমরা আমাদের অযোগ্যতা, অক্ষমতা, অপারগতা, দুর্বলতা, অলসতা, গাফলতী ও মূর্খতার কারণে তা পারি না। সেই জন্য ইস্তিগফার তওবা করতে হবে।
তাই, উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয।
অতএব, এই সমস্ত ক্বেতঈ দলীল মুবারকসমূহ দ্বারাই নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উম্মতের জন্য কুরবানী করা ফরজ সাব্যস্ত বা ছাবিত বা প্রমাণিত হয়েছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওয়ারিছ। যার কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে উনার তরফ থেকে আবাদুল আবাদ অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে অর্থাৎ প্রতি বছর সম্মানিত কুরবানী মুবারক করার জন্য সম্মানিত ওয়াছিয়ত মুবারক করেছেন এবং সম্মানিত আদেশ মুবারকও দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
ফতওয়া
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১১)
পবিত্র সুন্নত মুবারক ও আদেশ মুবারক এবং ওয়াছিয়ত মুবারক পালন করা ফরয যা ক্বেতঈ দলীল দ্বারাই সাব্যস্ত হয়েছে
৩য় দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একখানা ফলক উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখে টাঙ্গিয়ে দিলেন; যার শিরোনামে লিখা ছিলো— ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’। ঐ ফলকখানা দেখে একজন হাফেযে কুরআন বিশিষ্ট তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি যে এখানে শিরোনাম লিখেছেন— ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’; কিন্তু এখানে তো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখিত রয়েছেন। তাহলে এর শিরোনাম কিভাবে ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’ হতে পারে? কারণ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ কি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক?
তখন জবাবে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আপনি কি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ পড়েছেন, তখন সে ব্যক্তি বললেন আমি তো একজন হাফিযে কুরআন শরীফ। তখন হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, তাই যদি হয়, তাহলে আপনি কি ঐ সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফখানা তিলাওয়াত করেননি? তখন হাফিজ সাহেব জানতে চাইলেন, কোন সে আয়াত শরীফ? হযরত সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَاۤ اٰتٰىكُمُ الرَّسُوْلُ فَخُذُوْهُ وَمَا نَـهٰىكُمْ عَنْهُ فَانْـتَـهُوْا. وَاتَّـقُوا اللهَ. اِنَّ اللهَ شَدِيْدُ الْعِقَابِ
“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেন, তা আঁকড়িয়ে ধরো এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন, তা থেকে বিরত থাকো। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠোর শাস্তিদাতা।” না‘ঊযুবিল্লাহ!
ফতওয়া
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১০)
পবিত্র সুন্নত মুবারক ও আদেশ মুবারক এবং ওয়াছিয়ত মুবারক পালন করা ফরয যা ক্বেতঈ দলীল দ্বারাই সাব্যস্ত হয়েছে
২য় দলীল
নিম্নোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে এই ফতওয়াটি আরো শক্তিশালী হয়,
عَنْ حَضْرَتْ عَلْقَمَةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ لَعَنَ اللهُ الْوَاشِـمَاتِ وَالْمُوْتَشِمَاتِ وَالْمُتَـنَمِّصَاتِ وَالْمُتَـفَلِّجَاتِ لِلْحُسْنِ الْمُغَيِّـرَاتِ خَلْقَ اللهِ فَـبَـلَغَ ذٰلِكَ اِمْرَاَةً مِّنْ بَۢـنِـىْ اَسَدٍ يُـقَالُ لَـهَا حَضْرَتْ اُمُّ يَـعْقُوْبَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَـنْـهَا فَجَاءَتْ فَـقَالَتْ اِنَّهٗ بَـلَغَنِـىْ عَنْكَ اَنَّكَ لَعَنْتَ كَـيْتَ وَكَـيْتَ فَـقَالَ وَمَا لِـىْ اَلْعَنُ مَنْ لَّعَنَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَنْ هُوَ فِـىْ كِـتَابِ اللهِ فَـقَالَتْ لَقَدْ قَـرَأْتُ مَا بَـيْـنَ اللَّوْحَـيْـنِ فَمَا وَجَدْتُ فِيْهِ مَا تَـقُوْلُ قَالَ لَئِنْ كُـنْتِ قَـرَأْتِـيْهِ لَقَدْ وَجَدْتِـيْهِ اَمَا قَـرَأْتِ [وَمَاۤ اٰتٰىكُمُ الرَّسُوْلُ فَخُذُوْهُ وَمَا نَـهٰىكُمْ عَنْهُ فَانْـتَـهُوْا] قَالَتْ بَـلـٰى قَالَ فَاِنَّهٗ قَدْ نَـهٰى عَنْهُ
“বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত আলকামা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ সমস্ত মহিলাদের উপর লা’নত করেছেন, যারা অন্যের শরীরে উল্কি অংকন করে ও নিজ শরীরে উল্কি অংকন করায় এবং যারা সৌন্দর্যের জন্য ভ্রম্ন—চুল উপড়িয়ে ফেলে ও দাঁতের মাঝে নিজ থেকে ফাঁক সৃষ্টি করে। এসব মহিলা মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টিতে বিকৃতি সাধনকারী। উনার এই কথা মুবারক বনূ আসাদ গোত্রের একজন মহিলা ছাহাবিয়াহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার নিকট পেঁৗছলো। যাঁকে হযরত উম্মে ইয়া’কূব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা বলা হতো। তিনি হযরত ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার নিকট এসে বললেন, আমি জানতে পেরেছি, আপনি নাকি (যারা অন্যের শরীরে উল্কি অংকন করে ও নিজ শরীরে উল্কি অংকন করায় এবং যারা সৌন্দর্যের জন্য ভ্রম্ন—চুল উপড়িয়ে ফেলে ও দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে।) এমন মহিলাদের প্রতি লা’নত করেন। হযরত ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, আমি কেন এমন মহিলাদের প্রতি লা’নত করব না, যাদের প্রতি স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লা’নত করেছেন এবং যাদের কথা মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাবে রয়েছে? মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি বললেন, আমি তো দুই ফলকের মাঝে যা আছে অর্থাৎ সম্পূর্ণ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ পড়েছি; কিন্তু আপনি যা বলছেন সেটা তো পাইনি। তিনি বললেন, আপনি যদি (ভালোভাবে বুঝে—শুনে) পড়তেন, তবে অবশ্যই পেতেন। আপনি কি পড়েননি?
وَمَاۤ اٰتٰىكُمُ الرَّسُوْلُ فَخُذُوْهُ وَمَا نَـهٰىكُمْ عَنْهُ فَانْـتَـهُوْا
‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেন, তা আঁকড়িয়ে ধরো এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন, তা থেকে বিরত থাকো।’
উক্ত মহিলা ছাহাবিয়াহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি বললেন, হঁ্যা; পেয়েছি। তখন হযরত ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই তো এটা থেকে নিষেধ করেছেন।”
তখন হযরত মহিলা ছাহাবিয়াহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি তা মেনে নিলেন।