হাশরের ময়দানে যে ৫টি প্রশ্নের উত্তর প্রত্যেককেই দিতে হবে

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهٖ حَتّٰى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهٖ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهٖ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهٖ مِنْ أَيْنَ اِكْتَسَبَهٗ وَفِيمَ أَنْفَقَهٗ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ

অর্থ: কিয়ামতের দিনে হাশরের ময়দানে কোনো আদম সন্তান পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক কদমও নড়তে পারবে না। সে প্রশ্ন ৫টি হলো:

১) জীবনটা কী কাজে শেষ করেছে?

২) যৌবনকাল কী কাজে লাগিয়েছে?

৩) কোন পথে আয় করেছে?

৪) কোন পথে ব্যয় করেছে?

৫) নিজের ইলিম অনুযায়ী কি আমল করেছে? (তিরমিযী শরীফ)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يَا جَابِرُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِنَّ اللهَ تَعَالـٰى قَدْ خَلَقَ قَبْلَ الْاَشْيَاءِ نُوْرَ نَبِيِّكَ مِنْ نُّوْرِهٖ فَجَعَلَ ذٰلِكَ النُّوْرُ يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَعَالـٰى

অর্র্থ: “হে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছুর পূর্বে সর্বপ্রথম আপনার যিনি মহাসম্মানিত নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে সৃষ্টি করেছেন অর্থাৎ প্রকাশ করেছেন। তখন সেই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার ইচ্ছা মুবারক অনুযায়ী উনার সম্মানিত কুদরত মুবারক উনার মধ্যে অবস্থান মুবারক করছিলেন।” সুবহানাল্লাহ! (মাওয়াহিবুল লাদুননিয়্যাহ, মাদারেজুন নুবুওওয়াত, ফতওয়ায়ে হাদীছিয়্যাহ ইত্যাদি)

ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়

পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ

অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)

رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا

বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ কিন্তু এমনি এমনি হয়নি।
ইলিশের ব্যাপক সহজলভ্যতা ও প্রাপ্যতার কারণে ইলিশ হয়েছিলো জাতীয় মাছ।
এ কথা অবশ্য বর্তমান প্রজন্ম কেউ বিশ্বাস নাও করতে পারে।
তাদের আমি বলবো- হুমায়ুন আহমেদের নব্বইয়ের দশকের নাটক বহুব্রীহির প্রথম পর্বটা দেখুন। সেখানে ডাইনিং টেবিলে বসে আবুল হায়াত বলে- রোজ রোজ ইলিশ (খেতে ভালো লাগে না)। তখন বাড়ির গিন্নি বলে, ইলিশ ছাড়া আর কোন মাছ পাওয়া যায় না।
আমার মনে আছে, ঐ সময় কারো বাসা থেকে যদি ইলিশ রান্নার গন্ধ আসতো,
তবে তাকে সবাই গরীব মনে করতো।

যাই হোক, সে এক ইতিহাস।
কিন্তু সেই সহজলভ্য ইলিশ কিভাবে দুলর্ভ হয়ে উঠলো,
এটা কিন্তু কেউ আপনাকে বলবে না।
প্রত্যেকে যে যার থিউরী আপনাকে শুনাবে।
আমি অবশ্য ইলিশ নিয়ে আগেও অনেক লেখায় তা বলেছি,
এখন আবার বলবো।

ইলিশ সংকটের মূল কারণ হচ্ছে- ইলিশ ধরা বন্ধ রাখা।
এটাই ইলিশ কমে যাওয়ার মূল কারণ।
যদিও বলা হচ্ছে- ইলিশ বন্ধ রাখলে ইলিশ বাড়বে,
কিন্তু ঘটনা সম্পূর্ণ বিপরীত।

আসলে ইলিশের মূল উৎস হচ্ছে- বঙ্গপোসাগর-ভারত মহাসাগর।
সাগরের বিশাল সীমানা থেকে আসা প্রচুর ইলিশ বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলে-
জেলেরা তা ধরে নেয়।

আসলে ইলিশের কাছে তো আর মোবাইল ফোন নেই,
যে একজন ফোন করে বলবে- আর বাংলাদেশী জেলেরা আমাদের তুলে নিচ্ছে,
তোরা এই রাস্তায় আসিস না।
তারা ভাবে সামনে রাস্তা ফাকা, তাই তারা আরো সামনে প্রবেশ করে।

কিন্তু যখনই ইলিশ শিকার করা না হয়,
তখন বাংলাদেশের সীমানা ইলিশ দ্বারা পূর্ণ হয়ে যায়,
ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে আসার প্রচুর ইলিশের ঝাক ঐ রাস্তায় যেতে চায় না।
তারা রাস্তা পরিবর্তন করে ভারতসহ অন্য দিকে চলে যায়।
ফলে বঙ্গপোসাগর থেকে ভেসে আসা সৃষ্টিকর্তার বিশাল দান থেকে আমরা বঞ্চিত হই
এবং বলতে গেলে তা পার্শ্ববর্তী ভারতকে গিফট করে দেই।
এজন্য দেখবেন, যখন বাংলাদেশে ইলিশ ধরা বন্ধ,
তখন ভারতীয় সীমানায় জেলেরা ঠিকই ইলিশ ধরে।
শুধু তাই নয়, এবার গুজরাটের ইলিশ বাংলাদেশে রফতানি করছে ভারত।
আর এটাই ইলিশের রাজনীতি।

আসলে ইলিশ না ধরলে ইলিশ ডিম পাড়বে, এবং ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে,
এটা বাস্তবিক অর্থে কাল্পনিক থিউরী।
বাস্তবতার সাথে এর কোন মিল নেই।
আপনি এখই বাজার থেকে ইলিশ কিনে খান,
দেখবেন, প্রায় সব ইলিশের পেটেই ডিম।
আপনি কী ডিম ছাড়া ইলিশ খাওয়া বন্ধ করতে পেরেছেন ?
সেটাও তো পারেননি।

আর মনে রাখবেন- সমুদ্র কিন্তু পুকুর না।
পুকুরের থিউরী সমুদ্র প্রয়োগ করা মানে বোকামি।
পুকুরে একটা জিনিস রাখলে আপনি পরে তা পাবেন,
কিন্তু সমুদ্রে আরো বহু প্রাণী আছে,
অন্য দেশের সীমানা আছে।
আপনি ইলিশ খেলেন না,
তা অন্য দেশে চলে গেলো, বড় মাছের খাবার হলো,
আর অনেক কিছুই হতে পারে, যা আপনার জানা নাই।

মূল কথা হইলো-
যদি ইলিশকে আবার গরীবের খাবার বানাতে চান,
তবে ইলিশ ধরা বন্ধের সব নিয়ম কানুন তুলে দিন।
২ বছর টেস্ট করে দেখুন, আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি,
বহুব্রীহি নাটকের মত আপনিও বলবেন-
রোজ রোজ ইলিশ খেতে আর ভালো লাগে না।

৯৮% মুসলমান জনসংখ্যার হিন্দুরাষ্ট্র বাংলাদেশ যার জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরী মন্দির শুধু তাই নয় এই মন্দিরের আশেপাশে মুসলমান শূন্য করার উদ্দেশ্যে মুসলিম মালিকদের নিকট হতে জমি জোরপূর্বক লিখে নেয়ার কাজ খোদ রাষ্ট্র বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ও এর গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই করে (সেনাবাহিনীর জুলকারনাইন সায়েরদের হিন্দু ডিপ স্টেইট অংশ)।

মুসলিম আপন তিন ভাইকে ছবিতে দেয়া এই বা‌ড়ি থে‌কে তু‌লে ক‌্যান্টন‌মে‌ন্টের ভেত‌রে নি‌য়ে, তা‌দের‌কে ভয়ভী‌তি দে‌খি‌য়ে জোর ক‌রে তা‌দের ১৬৫ কো‌টি টাকার সম্পদ মাত্র ১০ কো‌টি টাকায় ‌নি‌য়ে ঢা‌কেশ্বরী ম‌ন্দির‌কে উপহার দি‌য়েছি‌ল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা। শেষ সস্বল হা‌রি‌য়ে মান‌সিক আঘা‌/ তে মৃ@‌্যু হয় সেই জ‌মির মুস‌লিম মা‌লি‌কের। বল‌তে গে‌লে মুসলমান‌দের হ@‌্যা ক‌রে হিন্দু‌দের ঢা‌কেশ্বরী ম‌ন্দির‌কে জ‌মি উপহার দি‌য়ে‌ছে শেখ হা‌সিনা।

ভাবা যায়? যে রাষ্ট্রের ৯৮% মুসলমান সে দেশ একটি জাতীয় মন্দির রেখেছে এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র মন্দিরের আশপাশ মুসলমান মুক্ত পবিত্রকরণের অংশ হিসেবে মুসলমানদের ওয়ারিশ সম্পত্তি জোরপূর্বক লিখে নিয়ে দেবীর উদ্দেশ্যে লিখে দিয়ে সেটিকে দেবীর সম্পত্তি ঘোষণা করেছে।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে যাবতীয় রেমিট্যান্স ও ভ্যাট ট্যাক্স দেয়া মুসলমানদের বন্ধ করতে হবে একই সাথে এই রাষ্ট্রের অর্থ আয়ের সব পথ বন্ধ করে মুসলমানদের পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

image

বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ কিন্তু এমনি এমনি হয়নি।
ইলিশের ব্যাপক সহজলভ্যতা ও প্রাপ্যতার কারণে ইলিশ হয়েছিলো জাতীয় মাছ।
এ কথা অবশ্য বর্তমান প্রজন্ম কেউ বিশ্বাস নাও করতে পারে।
তাদের আমি বলবো- হুমায়ুন আহমেদের নব্বইয়ের দশকের নাটক বহুব্রীহির প্রথম পর্বটা দেখুন। সেখানে ডাইনিং টেবিলে বসে আবুল হায়াত বলে- রোজ রোজ ইলিশ (খেতে ভালো লাগে না)। তখন বাড়ির গিন্নি বলে, ইলিশ ছাড়া আর কোন মাছ পাওয়া যায় না।
আমার মনে আছে, ঐ সময় কারো বাসা থেকে যদি ইলিশ রান্নার গন্ধ আসতো,
তবে তাকে সবাই গরীব মনে করতো।

যাই হোক, সে এক ইতিহাস।
কিন্তু সেই সহজলভ্য ইলিশ কিভাবে দুলর্ভ হয়ে উঠলো,
এটা কিন্তু কেউ আপনাকে বলবে না।
প্রত্যেকে যে যার থিউরী আপনাকে শুনাবে।
আমি অবশ্য ইলিশ নিয়ে আগেও অনেক লেখায় তা বলেছি,
এখন আবার বলবো।

ইলিশ সংকটের মূল কারণ হচ্ছে- ইলিশ ধরা বন্ধ রাখা।
এটাই ইলিশ কমে যাওয়ার মূল কারণ।
যদিও বলা হচ্ছে- ইলিশ বন্ধ রাখলে ইলিশ বাড়বে,
কিন্তু ঘটনা সম্পূর্ণ বিপরীত।

আসলে ইলিশের মূল উৎস হচ্ছে- বঙ্গপোসাগর-ভারত মহাসাগর।
সাগরের বিশাল সীমানা থেকে আসা প্রচুর ইলিশ বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলে-
জেলেরা তা ধরে নেয়।

আসলে ইলিশের কাছে তো আর মোবাইল ফোন নেই,
যে একজন ফোন করে বলবে- আর বাংলাদেশী জেলেরা আমাদের তুলে নিচ্ছে,
তোরা এই রাস্তায় আসিস না।
তারা ভাবে সামনে রাস্তা ফাকা, তাই তারা আরো সামনে প্রবেশ করে।

কিন্তু যখনই ইলিশ শিকার করা না হয়,
তখন বাংলাদেশের সীমানা ইলিশ দ্বারা পূর্ণ হয়ে যায়,
ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে আসার প্রচুর ইলিশের ঝাক ঐ রাস্তায় যেতে চায় না।
তারা রাস্তা পরিবর্তন করে ভারতসহ অন্য দিকে চলে যায়।
ফলে বঙ্গপোসাগর থেকে ভেসে আসা সৃষ্টিকর্তার বিশাল দান থেকে আমরা বঞ্চিত হই
এবং বলতে গেলে তা পার্শ্ববর্তী ভারতকে গিফট করে দেই।
এজন্য দেখবেন, যখন বাংলাদেশে ইলিশ ধরা বন্ধ,
তখন ভারতীয় সীমানায় জেলেরা ঠিকই ইলিশ ধরে।
শুধু তাই নয়, এবার গুজরাটের ইলিশ বাংলাদেশে রফতানি করছে ভারত।
আর এটাই ইলিশের রাজনীতি।

আসলে ইলিশ না ধরলে ইলিশ ডিম পাড়বে, এবং ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে,
এটা বাস্তবিক অর্থে কাল্পনিক থিউরী।
বাস্তবতার সাথে এর কোন মিল নেই।
আপনি এখই বাজার থেকে ইলিশ কিনে খান,
দেখবেন, প্রায় সব ইলিশের পেটেই ডিম।
আপনি কী ডিম ছাড়া ইলিশ খাওয়া বন্ধ করতে পেরেছেন ?
সেটাও তো পারেননি।

আর মনে রাখবেন- সমুদ্র কিন্তু পুকুর না।
পুকুরের থিউরী সমুদ্র প্রয়োগ করা মানে বোকামি।
পুকুরে একটা জিনিস রাখলে আপনি পরে তা পাবেন,
কিন্তু সমুদ্রে আরো বহু প্রাণী আছে,
অন্য দেশের সীমানা আছে।
আপনি ইলিশ খেলেন না,
তা অন্য দেশে চলে গেলো, বড় মাছের খাবার হলো,
আর অনেক কিছুই হতে পারে, যা আপনার জানা নাই।

মূল কথা হইলো-
যদি ইলিশকে আবার গরীবের খাবার বানাতে চান,
তবে ইলিশ ধরা বন্ধের সব নিয়ম কানুন তুলে দিন।
২ বছর টেস্ট করে দেখুন, আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি,
বহুব্রীহি নাটকের মত আপনিও বলবেন-
রোজ রোজ ইলিশ খেতে আর ভালো লাগে না।

image

মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফের বদলে খোদায়ী গযব বন্যায় লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ভারতের হিমালয় প্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, ধ্বংস হয়ে গেছে মন্দির। নিহত হয়েছে অসংখ্য।

image