মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার প্রকৃত পবিত্র আয়াত শরীফ সংখ্যা ৬৬৬৬ (২)
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ مِعْقَسِ بْنِ عِمْرَانَ بْنِ حِطَّانَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ دَخَلْتُ مَعَ اَبِىْ عَلٰى حَضْرَتْ اُمِّ الدَّرْدَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا فَسَاَلَهَا اَبِىْ فَقَالَ مَا فَضْلُ مَنْ قَرَاَ الْقُرْاٰنَ عَلٰى مَنْ لَّمْ يَقْرَاِ الْقُرْاٰنَ فَقَالَتْ سَمِعْتُ اُمَّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةَ سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ) تَقُوْلُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَعَلَ اللهُ دَرَجَ الْجَنَّةِ عَلٰى عَدَدِ اٰىِ الْقُرْاٰنِ فَمَنْ قَرَاَ ثُلُثَ الْقُرْاٰنِ كَانَ عَلَى الثُّلُثِ مِنْ دَرَجِ الْجَنَّةِ وَمَنْ قَرَاَ نِصْفَ الْقُرْاٰنِ كَانَ عَلَى النِّصْفِ مِنْ دَرَجِ الْجَنَّةِ وَمَنْ قَرَاَ ثُلُثَىِ الْقُرْاٰنِ كَانَ عَلَى الثُّلُثَيْنِ مِنْ دَرَجِ الْجَنَّةِ وَمَنْ قَرَاَ الْقُرْاٰنَ كُلَّهٗ كَانَ فِىْ مَجْلِسٍ لَمْ يَكُنْ فَوْقَهٗ اَحَدٌ اِلَّا نَبِىٌّ اَوْ صِدِّيْقٌ اَوْ شَهِيْدٌ
“হযরত মি’ক্বাস ইবনে ইমরান ইবনে হিত্তান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার সম্মানিত পিতা উনার সাথে হযরত উম্মু দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার নিকট গেলাম। তখন আমার সম্মানিত পিতা তিনি হযরত উম্মু দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার কাছে সুওয়াল করলেন, ‘যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করেন, উনার মর্যাদা সেই ব্যক্তির তুলনায় কতটুকু, যে ব্যক্তি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করে না?’ তিনি বললেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে আমি বলতে শুনেছি, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার স্তরসমূহ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের সংখ্যার অনুপাতে নির্ধারণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! অতএব, যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার এক তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করবেন, তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মর্যাদার স্তরসমূহের এক তৃতীয়াংশে অধিষ্ঠিত হবেন। যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার অর্ধেক তিলাওয়াত করবেন, তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মর্যাদার স্তরসমূহের অর্ধেকে অধিষ্ঠিত হবেন। যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার দুই তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করবেন, তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মর্যাদার স্তরসমূহের দুই তৃতীয়াংশে অধিষ্ঠিত হবেন। আর যিনি সমগ্র মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করবেন, তিনি এমন এক সম্মানিত মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হবেন, যার ঊর্ধ্বে হযরত নবী—রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং ছিদ্দীক্ব ও শহীদগণ উনারা ব্যতীত আর কেউ থাকবে না।’ অর্থাৎ উনাদের সাথে তিনি অবস্থান মুবারক করবেন।” সুবহানাল্লাহ! (লামাহাতুল আনওয়ার ওয়া নাফাহাতুল আযহার ওয়া রাইয়্যুয যমআন লি মা’রিফাতি মা ওয়ারাদা মিনাল আছারি ফী ছাওয়াবি ক্বারিইল কুরআন ১/১০৯, তারীখে দিমাশক্ব ৫৯/৩৫৫, মুখতাছরু তারীখে দিমাশক্ব ২৫/১৩০, আল মুহাদ্বরাতু ওয়াল মুহাওয়ারাত ১/৩২৫ ইত্যাদি)