নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকারীর একমাত্র শরঈ শাস্তি হচ্ছে ‘মৃত্যুদণ্ড’ (২৬)

মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(৯)

হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
قَالَ حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْحَكَمِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مَنْ سَبَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ مُّسْلِمٍ اَوْ كَافِرٍ قُتِلَ وَلَـمْ يُسْتَتَبْ وَحَكَى حَضْرَتْ اَلطَّبَرِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مِثْلَهٗ عَنْ حَضْرَتْ اَشْهَبَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ مَالِكٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ
অর্থ: “হযরত ইমাম আবূ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম ইবনে আ’ইয়ান ইবনে লাইছ মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ১৫৫ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ২১৪ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে গাল-মন্দ করবে, মানহানি করবে, তাকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। তার তওবা ক্ববূল করা হবে না। চাই সে মুসলমান হোক বা কাফির হোক। হযরত ইমাম আল্লামা আবূ জা’ফর মুহম্মদ ইবনে জারীর ত্ববারী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ২২৩ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ৩১০ হিজরী শরীফ) তিনি হযরত ইমাম আবূ ‘আমর আশহাব ইবনে আব্দুল ‘আযীয ‘আমিরী মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ১৪০ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ২১০ হিজরী শরীফ) উনার সূত্রে হযরত ইমাম মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (আশ শিফা ২/২১৭, আস সাইফুল মাসলূল ১২৮ নং পৃষ্ঠা)