৪. তাবে-তাবেঈ ইমাম ওকী ইবনুল জাররাহ (রহ.)-এর সূত্রে সালামের মজলিস ও তা'জীম
ইমাম ইবনে আবী শায়বাহ (রহ.) তাঁর বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ ‘আল-মুসান্নাফ’-এ ২য় হিজরী শতকের ফুকাহাদের সম্মান প্রদর্শনের বিশেষ বিবরণ এনেছেন:

العِبارَةُ العَرَبِيَّة:

«عَنْ وَكِيعٍ قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيَّ وَغَيْرَهُ مِنَ الفُقَهَاءِ يَقُولُونَ: إِذَا جَرَى ذِكْرُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَجْلِسٍ، فَالصَّلاَةُ وَالسَّلاَمُ عَلَيْهِ إِعْظَاماً لَهُ سُنَّةٌ مَاضِيَةٌ، وَتَعْظِيمُهُ قَائِماً وَقَاعِداً مِنْ كَمَالِ الإِيمَانِ»

বাংলা উচ্চারণ:

‘আন ওকী‘ইন ক্বালা: সামি‘তু সুফিয়ানাচ্ছ ছাওরিইয়্যা ওয়া গাইরাহূ মিনাল ফুক্বাহাা'ই ইয়াক্বূলূনা: ইযা জারাা যিকরুন নাবিয়্যি ছাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া ছাল্লামা ফী মজলিসিন, ফচ্ছ-ছলাাতু ওয়াস-সালাামু ‘আলাইহি ই‘যামাল লাহূ সুন্নাতুম মাদিইয়াহ, ওয়া তা‘যীমুহূ ক্বাইমাওঁ ওয়া ক্বা‘ইদাম মিন কামালিল ঈমান.

বাংলা অনুবাদ:

ইমাম ওকী (রহ.) বলেন: "আমি ইমাম সুফিয়ান আল-ছাওরী (রহ.) [৯৭–১৬১ হিজরী] এবং অন্যান্য ফকীহদের বলতে শুনেছি: যখন কোনো মজলিসে নবীজী ﷺ-এর নাম মোবারক উচ্চারিত হয়, তখন তাঁর ওপর সালাত ও সালাম পেশ করা পূর্বসূরিদের সুপ্রতিষ্ঠিত সুন্নাত। এবং দণ্ডায়মান কিংবা উপবিষ্ট—যেভাবেই হোক তাঁকে সম্মান প্রদর্শন করা ইমানের পূর্ণতার প্রতীক।"

(সূত্র: মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, খণ্ড: ৬, হাদীস নং: ৩২৪১৮)