মহাসম্মানীত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে ও মুহব্বতে খুশি প্রকাশ করে খরচ করার ফজিলত (৫৩)
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (عَمَلُ مَوْلِدِ النَّبِيِّ ﷺ)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে তাঁর দিকে এগিয়ে গেলেন এবং তাঁর দুই চোখের মাঝখানে (কপালে) চুম্বন করলেন।"----সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (عَمَلُ مَوْلِدِ النَّبِيِّ ﷺ)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ করা যিনি খ্বালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত সৃষ্ঠি জগতের জন্য ফরজ করে আদেশ মুবারক করেছেন
يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِىِّ।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক কিভাবে প্রকাশ করবে ,সেই পদ্ধতিও বাতলিয়ে দিচ্ছেন,
وَتُعَزِّرُوْهُ وَتُوَقِّرُوْهُ وَتُسَبِّحُوْهُ بُكْرَةً وَّاَصِيْلًا
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক করবে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’যীম-তাকরীম মুবারক করবে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছানা-ছিফত মুবারক করবে অনন্তকালব্যাপী।
লাভ ও ক্ষতি
فَمَن نَّكَثَ فَإِنَّمَا يَنكُثُ عَلَىٰ نَفْسِهِ ۖ وَمَنْ أَوْفَىٰ بِمَا عَاهَدَ عَلَيْهُ اللَّهَ فَسَيُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًا
অতএব, যে ব্যক্তি এই আদেশ মুবারক অনুসরণ করবে না, সে নিজের ক্ষতি নিজেই করবে। আর যে ব্যক্তি এই আদেশ মুবারক পূর্ণ অনুসরণ করবে তার জন্য রয়েছে মহাপুরুষ্কার দুনিয়াতে ও আখিরাতে।"
১, হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহ আলাইহি(২৪৭ হিজরীতে বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৩৪৪) -উনাকে স্বপ্নে জিজ্ঞেস করলেন, "আল্লাহ তাআলা আপনার সাথে কী রূপ আচরণ করেছেন?" তিনি ওলামাদের সূত্রে বর্ণিত রেওয়ায়েত অনুযায়ী উত্তর দিলেন:
جَازَانِي اللَّهُ تَعَالَى بِشَفَاعَةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَدْخَلَنِي الْجَنَّةَ لِتَعْظِيمِي يَوْมَ
مَوْلِدِهِ الشَّرِيفِ.সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (عَمَلُ مَوْلِدِ النَّبِيِّ ﷺ)
"জাযা-নিয়াল্লা-হু তা'আ-লা- বিশাফা-'আতিন নাবিয়্যি সাল্লাল্লা-হু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ওয়া আদখলানিল জান্নাতা লিতা'যী-মী ইয়াওমা মাওলিদিহিশ শারী-ফ।"(অর্থ: মহান আল্লাহ তাআলা আমাকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার শাফায়াতের উসিলায় পুরস্কৃত করেছেন এবং উনার পবিত্র মিলাদ বা মাওলিদ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (عَمَلُ مَوْلِدِ النَّبِيِّ ﷺ)শরীফের দিনটিকে তা'যীম (সম্মান) করার কারণে আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন।)
আল-হাভী লিল ফাতাওয়া (الحاوي للفتاوي): এর লেখক হলেন ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতী (রহ.) [জন্ম: ৮৪৯ হিজরী, ওফাত: ৯১১ হিজরী]।
আন-নি'মাতুল কুবরা আলাল আলাম (النعمة الكبرى على العالم): এর লেখক হলেন ইমাম ইবনে হাজার হাইতামী (রহ.) [জন্ম: ৯০৯ হিজরী, ওফাত: ৯৭৪ হিজরী]।
আরবি অংশ:
رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمَنَامِ فَقَالَ لِي: يَا أَبَا بَكْرٍ إِذَا كَانَ فِي غَدٍ فَسَيَدْخُلُ عَلَيْكَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ، فَإِذَا جَاءَكَ فَأَكْرِمْهُ.
অর্থ:
“আমি স্বপ্নে নবী ﷺ-কে দেখলাম। তিনি আমাকে বললেন: ‘হে আবু বকর! আগামীকাল তোমার কাছে জান্নাতবাসীদের একজন ব্যক্তি আসবে। সে যখন আসবে, তাকে সম্মান করবে।
এরপর শিবলী (রহ.) এলে ইবনু মুজাহিদ তাঁকে সম্মান করেন।
نزهة المجالس ومنتخب النفائس-এর “باب مولد المصطفى وحبيب الله المجتبى” অধ্যায়ের মধ্যেই শিবলী-সম্পর্কিত এই ঘটনা এসেছে।
সেখানে বলা হয়েছে:
قال العلائي: جاء الشبلي إلى أبي بكر بن مجاهد، فقام إليه وقبله بين عينيه، قيل له في ذلك فقال: رأيت النبي صلى الله عليه وسلم في النوم فعل به ذلك...
এরপর ইবনু মুজাহিদ বলেন, তিনি স্বপ্নে দেখেছিলেন যে রাসূলুল্লাহ ﷺ শিবলী (রহ.)-কে কাছে টেনে দুই চোখের মাঝখানে চুম্বন করেছেন।
পরে আবার স্বপ্নে নবী ﷺ-কে দেখে জিজ্ঞেস করেন, শিবলী কী কারণে এই মর্যাদা পেলেন। উত্তরে বলা হয়:
فَقَالَ: هَذَا رَجُلٌ يُصَلِّي كُلَّ يَوْمٍ خَمْسَ صَلَوَاتٍ، يَذْكُرُنِي فِي إِثْرِ كُلِّ صَلَاةٍ وَيَقْرَأُ: {لَقَدْ جَاءَكُمْ رَسُولٌ مِنْ أَنْفُسِكُمْ} الآية، يَفْعَلُ ذَلِكَ مُنْذُ ثَمَانِينَ سَنَةً. ফাক্ব-লা: হা-যা- র জুলুঁয় ইউসল্লী কুল্লা ইয়াওমিন খমসা সলাওয়া-ত, ইয়াযকুরুনী ফী ইছরি কুল্লি সলা-তিঁও ওয়া ইয়াক্বরাউ: 'লাক্বদ জা-আকুম রসূলুম মিন আনফুসিকুম' আল-আয়াহ, ইয়াফ'আ্লু যা-লিকা মুন্যু ছামা-নীনা সানাহ। [1, 2]
অর্থ: তখন নবী ﷺ বললেন: "এই ব্যক্তি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে এবং প্রতি নামাজের পর আমাকে স্মরণ করে (আমার ওপর দুরুদ পড়ে) এবং (সূরা তাওবার শেষ আয়াত) 'লাক্বদ জা-আকুম রসূলুম মিন আনফুসিকুম...' (নিশ্চয়ই তোমাদের কাছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রাসূল এসেছেন...) পাঠ করেন ও দরুদ শরীফ পাঠ করেন । সে দীর্ঘ আশি বছর ধরে এই আমলটি করে আসছে।
’تاريخ بغداد ে১. تاريخ مدينة دمشق — ইবনু আসাকির
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তিনি তিনবার বলতেন:
صلى الله عليك يا محمد
ইবনুল কাইয়্যিম ঘটনাটিকে جلاء الأفهام في فضل الصلاة على محمد خير الأنام-এর “الصلاة عليه عقيب الصلوات” অধ্যায়ে এনেছেন।
৩. القول البديع — ইমাম সাখাওয়ী রহ.
এটি আজকের অনুসন্ধানে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোগ।
ইমাম সাখাওয়ী القول البديع في الصلاة على الحبيب الشفيع–এ ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে نقل করেছেন এবং ইবনু বশকুওয়াল, আবু মূসা আল-মাদিনী ও আবদুল গনী ইবনু সাঈদ-এর মাধ্যমে বর্ণনার উৎস উল্লেখ করেছেন।
বাগদাদের লোকেরা যখন ইমাম ইবনে মুজাহিদকে জিজ্ঞেস করলেন—"লোকেরা তো শিবলীকে কিছুটা ভারসাম্যহীন বা উন্মাদ মনে করে, অথচ আপনি একজন এত বড় ইমাম হয়েও শিবলীকে দেখে বুকে জড়িয়ে ধরলেন এবং তাঁর কপালে চুম্বন করলেন কেন [১.২.১, ১.৩.৩]?"
. فعلت به كما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعل به وذلك أني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في المنام وقد أقبل الشبلي فقام إليه وقبل بين عينيه
এবং
বাংলা উচ্চারণ
"ফা'আলতু বিহী কামা- রআইতু রসূলাল্লা-হি সল্লাল্ল-হু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামা ফা'আলা বিহী, ওয়া যা-লিকা আন্নী রআইতু রসূলাল্লা-হি সল্লাল্ল-হু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামা ফিল মানা-মি ওয়া ক্বদ্ আক্ববালাশ শিবলিয়্যু ফাক্ব-মা ইলাইহি ওয়া ক্বব্বালা বাইনা 'আইনাইহি।"
২. বাংলা অর্থ
"আমি তাঁর (হযরত শিবলীর) সাথে ঠিক তেমন আচরণই করেছি যেমনটা আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে তাঁর সাথে করতে দেখেছি। আর তা এভাবে যে, আমি স্বপ্নে আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে দেখেছি যে, শিবলী যখন (নবীজির দরবারে) আগমন করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে তাঁর দিকে এগিয়ে গেলেন এবং তাঁর দুই চোখের মাঝখানে (কপালে) চুম্বন করলেন।"
سعادة الدارين — ইউসুফ আন-নাবহানী রহ.
ইউসুফ আন-নাবহানীও ঘটনাটি “اللطيفة الحادية والأربعون” হিসেবে نقل করেছেন।
ইমাম হাফিজ শামসুদ্দিন সাখাভী (রহ.) তাঁর বিখ্যাত কিতাব আল-ক্বওলুল বাদী’ (القول البديع)-এ হযরত আবু বকর শিবলী (রহ.)-এর স্বপ্নের ঘটনাটি বর্ণনা করার পর এই "وَيَسْتَأْنِسُ هُنَا" (এখানে সমর্থন নেওয়া যায়) বাক্যটি ব্যবহার করে হযরত আবু উমামা (রা.)-এর একটি হাদিস উল্লেখ করেছেন [১.১.১, ১.২.১, ১.৩.৭]।
অর্থাৎ, প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর দুরুদ ও দোয়া পড়ার মাধ্যমে যে নবীজি ﷺ-এর শাফায়াত লাভ করা যায়—সেটির সপক্ষে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর এই হাদিসটি একটি বড় দলিল [১.২.১, ১.৩.৭]। হাদিসটির আরবি অংশ, উচ্চারণ ও অর্থ নিচে দেওয়া হলো:
হাদিসের আরবি অংশ:
مَنْ دَعَا بِهَؤُلَاءِ الدَّعَوَاتِ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ مَكْتُوبَةٍ حَلَّتْ لَهُ الشَّفَاعَةُ مِنِّي يَوْمَ الْقِيَامَةِ: اللَّهُمَّ أَعْطِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ، وَاجْعَلْ فِي الْمُصْطَفَيْنَ مَحَبَّتَهُ، وَفِي الْعَالَمِينَ دَرَجَتَهُ، وَفِي الْمُقَرَّبِينَ دَارَهُ.
বাংলা উচ্চারণ:
"মান দা-'আ- বিহা-'উলা-ইদ্ দা'আওয়া-তি ফী দুবুরি কুল্লি সলা-তিম্ মাকতূবাতিন হাল্লাত লাহুশ শাফা-'আতু মিন্নী ইয়াওমাল ক্বিয়া-মাহ: আল্লা-হুম্মা আ'তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাহ, ওয়াজ'আল ফিল মুসতফায়না মাহাব্বাতাহু, ওয়া ফিল 'আ-লামীনা দারজাতাহু, ওয়া ফিল মুক্বর রবীন দ-রহু।"
বাংলা অর্থ:
নবীজি ﷺ বলেছেন: "যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ (নির্ধারিত) নামাজের পর এই দোয়াগুলো পাঠ করবে, কেয়ামতের দিন আমার পক্ষ থেকে তার জন্য শাফায়াত (সুপারিশ) ওয়াজিব বা হালাল হয়ে যাবে [১.২.১, ১.২.২]। (দোয়াটি হলো হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ ﷺ-কে 'ওয়াসীলা' (জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম) দান করুন [১.২.২]। মনোনীত বান্দাদের অন্তরে তাঁর প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে দিন, বিশ্ববাসীর মাঝে তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন এবং আপনার নৈকট্যপ্রাপ্তদের মাঝে তাঁর বাসস্থান নির্ধারণ করুন [১.২.২]।" (উৎস: তাবারানী ফিল কাবীর, আল-ক্বওলুল বাদী’) [১.২.২]
কুরআনের আয়াত: আল্লাহ তাআলা বলেন, قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا (অর্থ: "বলুন, আল্লাহর ফضل (অনুগ্রহ) ও রহমত প্রাপ্তিতে তারা যেন আনন্দ প্রকাশ করে।" [সূরা ইউনুস: ৫৮]। সৃষ্টিজগতের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মূল ফজল ও রহমত মুবারক, তাই مَوْلِدِهِ الشَّرِيفِ.সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (عَمَلُ مَوْلِدِ النَّبِيِّ ﷺ) মাহফিল ও তাবাররুক বিতরণ এই আনন্দেরই অংশ।
হাদিস শরীফ: সহীহ বুখারী শরীফে বর্ণিত হয়েছে, আবু লাহাবের দাসী হযরত সুওয়াইবাহ আলাইহিস সালাম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক সুসংবাদ দেওয়ার কারণে আবু লাহাব খুশি হয়ে উনাকে মুক্ত করে দিয়েছিল, যার ফলে প্রতি ইছনাইনিল আযীম শরীফ( সোমবার) জাহান্নামে তার আযাব হালকা করা হয় এবং সে আঙ্গুল থেকে পানি চোষে। রেওয়ায়েতে এসেছে: جَازَاهُ اللَّهُ بِإِطْعَامِهِ وَإِعْتَاقِهِ। যদি কাফের হয়েও জন্মের খুশিতে লাভ হয়, তবে মুমিনের مَوْلِدِهِ الشَّرِيفِ.সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (عَمَلُ مَوْلِدِ النَّبِيِّ ﷺ) মাহফিল ও তাবাররুক বিতরণ কত বড় সওয়াবের কাজ, তা সহজেই অনুমেয়।
হাদিসের দলিল: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং ইরশাদ করেছেন: "مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَمَثَّلُ بِي" (অর্থ: যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে সত্যিই আমাকে দেখল, কেননা শয়তান আমার আকৃতি বা রূপ ধারণ করতে পারে না।)
সার্বিক পর্যালোচনায় এটি সুপ্রমাণিত যে,সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (عَمَلُ مَوْلِدِ النَّبِيِّ ﷺ) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ , খুশি প্রকাশ করা এবং তাবাররুক বা খাবার বিতরণ করার আমলটি কুরআন ও সুন্নাহর সাধারণ নির্দেশনাবলীর আলোকে শতভাগ (১০০%) শরীয়তসম্মত ও সওয়াবের কাজ। বুজুর্গানে দ্বীনের অনুসৃত এই পথ ও তাঁদের কিতাবের সুসংবাদ উম্মতের জন্য আত্মিক প্রেরণা এবং আল্লাহর রহমত পাওয়ার একটি অন্যতম উত্তম উসিলা।
অতএব, উপরোক্ত বিস্তারিত আলোচনা দ্বারা এটা ১০০% স্পষ্ট বলা যায়—সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (عَمَلُ مَوْلِدِ النَّبِيِّ ﷺ) একটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও নাজাতের আমল।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বতে ও সম্মানে খুশি প্রকাশ করে অনন্তকালব্যাপী আযীমুশশান সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ'ইয়াদ শরীফ মাহফিলের বরকতময় তাবারুকে হাদিয়া করুন: ১২০০ / ১২০০০ / ১২০০০০+সরাসরি শুনুন: http://Sm40.com বিকাশ এজেন্ট (মাহফিল-অফিসিয়াল): 01739466730