নাস্তিক শিক্ষক ও ছাত্রের কাহিনী

এক নাস্তিক শিক্ষক ক্লাসে ঢুকেই প্রশ্ন করলঃ আচ্ছা তোমরা তো আল্লাহতে বিশ্বাস কর, তাইনা?
ছাত্রছাত্রীরা সমস্বরেঃ হ্যাঁ আমরা বিশ্বাস করি।
শিক্ষকঃ আল্লাহ তো পৃথিবীর সকল ভালমন্দ সৃষ্টি করেছেন তাইনা?
ছাত্রছাত্রীঃ হ্যাঁ, তিনিই সৃষ্টি করেছেন।
শিক্ষকঃ আল্লাহ তায়ালা যদি ভাল হয়ে থাকেন তাহলে মন্দসমূহ সৃষ্টি করলেন কেন?
ছাত্র ছাত্রীঃ সবাই চুপ। কেউ কোনো উত্তর দিলনা।
শিক্ষকঃ আচ্ছা তোমরা কি কেউ কখনো আল্লাহকে দেখেছো?
ছাত্রছাত্রীঃ না।
শিক্ষকঃ বিজ্ঞান বলে, “যে জিনিস কোনো যন্ত্র বা পঞ্চ ইন্দ্রিয় দ্বারা দেখা যায়না, ছোঁয়া যায় না, অনুভব করা যায় না, তার কোনো অস্তিত্ব নেই! সুতরাং আল্লাহর অস্তিত্ব নেই!! (নাঊজুবিল্লাহ) সৃষ্টিকর্তার ধারণা অলীক কল্পনা মাত্র।” ক্লাসে পিনপতন নিরবতা, কেউ কথা বলছেনা।
একজন ছাত্র উঠে দাড়াল, বলল! “স্যার আমি কিছু বলতে চাই।”
শিক্ষকঃ বল।
ছাত্রঃ স্যার পৃথিবীতে ঠান্ডা বলতে কিছু আছে?
শিক্ষকঃ আছে।
ছাত্রঃ না স্যার, ঠান্ডা বলতে কোনো পদার্থ নেই। তাপমাত্রার অনপুস্থিতিকেই ঠান্ডা বলে। ঠান্ডা পরিমাপ করা যায় না। তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায়। অর্থাৎ তাপের অনুপস্থিতিকে ঠান্ডা বলে।
ছাত্রঃ স্যার অন্ধকার বলতে কিছু আছে?
শিক্ষকঃ না।
ছাত্রঃ হ্যাঁ, অন্ধকার বলতে কিছু নেই। অন্ধকার পরিমাপ করা যায় না। আলোর অনুপস্থিতিকেই অন্ধকার বলা হয়। ঠিক তেমনি আল্লাহ তায়ালা মন্দ সৃষ্টি করেননি। ভালোর অনুপস্থিতিকেই মন্দ বলে।
ছাত্রটি সকল ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলল, আচ্ছা তোমরা কেউ স্যারের মস্তিষ্ক দেখেছো?
ছাত্রছাত্রীঃ দেখিনি, তবে স্ক্যানারের মাধ্যমে দেখা সম্ভব।
ছাত্রঃ পৃথিবীর কোনো যন্ত্র দিয়ে কি স্যারের জ্ঞান পরিমাপ করা সম্ভব? স্যার যে এত সব ডিগ্রী, এতসব জ্ঞান অর্জন করেছেন তা কি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভব বা পরিমাপ করা যায়?
ছাত্রছাত্রীঃ না।
ছাত্রঃ তাহলে আমি ঘোষণা দিচ্ছি, যেহেতু কোনো অত্যাধুনিক যন্ত্র বা মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয় দ্বারা স্যারের জ্ঞান অনুভব বা পরিমাপ করা যায় না, সুতরাং স্যারের কোনো জ্ঞান নেই। তিনি একজন মূর্খ।
বিষয় টা। হাক্বিক্বত দেখবেন