সুমহান দীদার মুবারক পেতে তাড়াতাড়ি বিছাল শরীফের আরজি!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল বিছাল শরীফ শান মুবারক প্রকাশ হলে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা অস্থির হয়ে গেলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি সাময়িক একেবারে নিশ্চুপ ছিলেন।
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি খোলা তরবারি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে বললেন- যে ব্যক্তি বলবে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল বিছাল শরীফ শান মুবারক প্রকাশ করেছেন (আনুষ্ঠানিকভাবে দুনিয়া থেকে বিদায় গ্রহণ করেছেন) আমি তার গর্দান উড়িয়ে দিবো।
এমনিভাবে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল বিছাল শরীফ উনার পর এমন অস্থিরতার জীবন অতিবাহিত করলেন যে, উনার সম্মানিত কন্যা হযরত আবদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি বলেন, আমার পিতা যখনই ঘুমানোর জন্য যেতেন, বিছানায় শুয়ে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্মরণে বিভোর হয়ে থাকতেন।
বিভিন্ন ঘটনা স্মরণ করে মাঝে মাঝেই দীর্ঘ শ্বাস ছাড়তেন। আর পবিত্র বিছাল শরীফপ্রাপ্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের নাম স্মরণ করে বলতেন, অমুক সফল তিনি আমার আগেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাক্ষাৎ মুবারক পেয়েছেন। আয় মহান আল্লাহ পাক! আমাকে তাড়াতাড়ি পবিত্র বিছাল শরীফ দিয়ে দিন, যাতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাক্ষাৎ মুবারক করতে পারি। সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা উনাদের পিতা-মাতা, আল-আওলাদ, মাল-সম্পদ এমনকি নিজের জানের চেয়েও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সবচেয়ে বেশি মহব্বত মুবারক করতেন। সুবহানাল্লাহ!
যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ন্যায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত কিছুর চেয়ে সবচেয়ে বেশি মহব্বত করার এবং উনাদের ন্যায় পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়ার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন।