অকাট্য দলীলের ভিত্তিতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করার (দুনিয়ার যমীনে আগমন করার) তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফ (২২)
[১৪৪১ হিজরী সনে প্রকাশিত কিতাব থেকে]
মুসনাদে আহমদ শরীফ উনার মধ্যে এই সম্মানিত সনদ মুবারক এ ৮টি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছেন। প্রতিটি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার সম্মানিত সনদ মুবারক উনার ব্যাপারে শু‘য়াইব আরনাঊত তিনি বলেন—
اِسْنَادُهٗ صَحِيْحٌ عَلـٰى شَرْطِ الشَّيْخَيْـنِ.
অর্থ: “এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার সম্মানিত সনদ মুবারক হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার এবং হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অর্থাৎ উনাদের উভয়ের শর্ত অনুযায়ী ছহীহ।” সুবহানাল্লাহ!
মোট কথা, এই বিশুদ্ধ সনদ মুবারক—এ ২৫ টিরও অধিক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছেন। কলেবর বৃদ্ধির আশঙ্কায় আমরা এখানে সমাপ্ত করলাম। তাহলে এখান থেকে এ বিষয়টি দিবালোকের ন্যায় অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও চির অকাট্যভাবে প্রমাণিত হলো যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফ) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন, এটা সর্বোচ্চ পর্যায়ের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছহীহ হাদীছ শরীফ দ্বারাই প্রমাণিত। সুবহানাল্লাহ! কাজেই, এরপরেও যারা এ বিষয়ে চূ—চেরা, ক্বীল—ক্বাল করবে অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফ) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন, এটা যারা মানবে না, সম্মানিত শরীয়ত মুবারক উনার দৃষ্টিতে তারা হচ্ছে লা—মাযহাবী, ওহাবী—সালাফী, মুনাফিক্ব—উলামায়ে সূ’ ও বাতিল ৭২ ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত। না‘ঊযুবিল্লাহ! তারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছহীহ হাদীছ শরীফ অস্বীকার করার কারণে কাট্টা কাফির ও চির মাল‘ঊন। ইহকালে তাদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আর পরকালে রয়েছে তাদের জন্য জাহান্নামের সবচেয়ে ভয়াবহ কঠিন আযাব। না‘ঊযুবিল্লাহ!