নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ বিষয়ে আপত্তি ও তার খণ্ডনমূলক জবাব (৫)
প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি ঈদ
১. প্রতি দমে দুটি ঈদ ও দুটি ঈদে আকবর হওয়ার দলীল:
বিশ্বখ্যাত মুফাসসির আল্লামা হযরত ইসমাঈল হাক্কী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ১১২৭ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ ‘তাফসীরে রূহুল বয়ান’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন-
عاشقان در دمے دو عيد كنند
(বাংলা উচ্চারণ: আশেক্বানে দর দমে দো ঈদ কুনান্দ।)
অর্থ: “আশেক্বীন উনাদের প্রত্যেকটা শ্বাস-প্রশ্বাসেই দুটি ঈদ হয়।” সুবহানাল্লাহ! (রূহুল বয়ান ৬/৪৭১)
অন্যভাবে বলা হয়ে থাকে যে,
عارفان هر دمے دو عید کنند
(বাংলা উচ্চারণ: আরেফানে হর দমে দো ঈদ কুনান্দ।)
অর্থ: “সম্মানিত আরিফগণ অর্থাৎ আল্লাহওয়ালাগণ উনাদের প্রত্যেকটা শ্বাস-প্রশ্বাসেই দুটি ঈদ হয়।” সুবহানাল্লাহ!
মাওলানা জালালুদ্দীন রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
صوفیان در دمے دو عید کنند
(বাংলা উচ্চারণ: ছূফিয়ানে দর দমে দো ঈদ কুনান্দ।)
অর্থ: “সম্মানিত ছূফীগণ উনাদের প্রত্যেকটা শ্বাস-প্রশ্বাসেই দুটি ঈদ হয়।” সুবহানাল্লাহ! (রূহুল বয়ান ২/৪৬৫, দেওয়ানে শামস)
মাওলানা জালালুদ্দীন রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এই বিষয়টা আরো স্পষ্টভাবে বলেন,
سالی دو عید کردن کار عوام باشد
ما صوفیان جان را هر دم دو عید باشد
(বাংলা উচ্চারণ: সালে দো ঈদ করদান কারে আওয়াম বাশদ, মা ছূফিয়ানে জান রা হরদম দো ঈদ বাশদ।)
অর্থ: “বছরে দুই ঈদ করা হচ্ছে সাধারণ লোকদের কাজ। আর আমরা সম্মানিত ছূফীগণ আমাদের সজ্ঞানে প্রত্যেকটা শ্বাস-প্রশ্বাসেই দুটি ঈদ হয়।” সুবহানাল্লাহ! (দেওয়ানে শামস)