মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মানহানীকারীদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড (৪৬)
[১৪৪২ হিজরী শরীফ-এ প্রকাশিত কিতাব থেকে]
হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, কাজেই যে ব্যক্তি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক—এ অপবাদ দিলো, সে অবশ্যই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিরোধিতা করলো। না‘ঊযুবিল্লাহ! আর যে ব্যক্তি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিরোধিতা করবে, তাকে শাস্তি স্বরূপ ক্বতল করা হবে, মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে। সুবহানাল্লাহ! হযরত ইমাম ইবনে হায্ম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এখানে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কথা সঠিক। এরূপ করাটা পূর্ণ মুরতাদী এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ব্যক্তি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার প্রতি মিথ্যা অপবাদের বিষয়টি খণ্ডন করে দিয়ে উনার পবিত্রতা মুবারক বর্ণনা করেছেন, সে বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। না‘ঊযুবিল্লাহ! অনুরূপভাবে সমস্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ক্ষেত্রে একই ফতওয়া প্রযোজ্য। এখানে কোনো পার্থক্য নেই। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَالطَّيِّبٰتُ لِلطَّيِّبِيْـنَ وَالطَّيِّبُوْنَ لِلطَّيِّبٰتِ اُولٰٓئِكَ مُبَرَّءُوْنَ مِـمَّا يَقُوْلُوْنَ
‘সচ্চরিত্রা মহিলা উনারা সচ্চরিত্র পুরুষ উনাদের জন্য এবং সচ্চরিত্র পুরুষ উনারা সচ্চরিত্রা মহিলা উনাদের জন্য। উনাদের সম্পর্কে মানুষ যা বলে, উনারা তা থেকে মুক্ত, পূত—পবিত্র।’ সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা নূর শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২৬) কাজেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা প্রত্যেকেই সমস্ত প্রকার অপবাদ থেকে মুক্ত।” সুবহানাল্লাহ! (আল মুহাল্লা বিল আছার শরীফ ১২/৪০)