নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোন ব্যক্তি যদি সম্মানিত রুকনে ইয়ামেন এবং সম্মানিত মাক্বামে ইবরাহীম শরীফ উনাদের মধ্যবর্তী স্থানে সারিবদ্ধ হয়ে থাকে। অতঃপর নামায পড়ে এবং রোযা রাখে। কিন্তু এই অবস্থায় তার মৃত্যু হয় যে, সে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, তাহলে সে অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে।” নাঊযুবিল্লাহ!
আজ সুমহান বরকতময় সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১৭ তারিখ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ শাফিয়িল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
তাই সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের সম্মানার্থে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার আয়োজন করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের মহাপবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।
, ১৭ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০২ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ৩১ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আজ সুমহান বরকতময় সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১৭ তারিখ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ শাফিয়িল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক প্রকাশের ২ বছর পূর্বে পবিত্র ১৩ই যিলক্বদ শরীফ ইয়াওমুল খমীস শরীফ মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! উনার পবিত্র ইসম মুবারক ছিলেন ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত র্বারাহ্ আলাইহাস সালাম’। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাপবিত্র ইসম মুবারক পরিবর্তন করে রাখেন ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত জুওয়াইরিয়াহ্ আলাইহাস সালাম’। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ৫ম হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ২৮শে যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল জুমু‘য়াহ শরীফ উনাদের মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়। তখন দুনিয়াবী দৃষ্টিতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক ছিলেন ২০ বছর ১ মাস ১৫ দিন। উনার মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ উনার মোহরানা মুবারক ছিলেন ৫০০ দিরহাম।’ তিনি ৫ বছর ২ মাস ১৪ দিন মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেন। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সময় সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক ছিলেন ২৫ বছর ৪ মাস। তিনি ৫০ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১৭ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (রবীউল আউওয়াল শরীফ) ইয়াওমুছ ছুলাছা’ শরীফ পবিত্র মদীনা শরীফে মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত অবস্থান মুবারক করেন ৬৪ বছর ৪ মাস ৪ দিন। উনার মহাপবিত্র রওযা শরীফ ‘সম্মানিত জান্নাতুল বাক্বী’ শরীফ উনার মাঝে অবস্থিত। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল মুহসিনীন, সুলত্বানুল মাশায়িখ, ইমামুছ ছিদ্দীক্বীন, ফখরুল আশিক্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৯৬ হিজরীতে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহাপবিত্র ১৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মাঝে মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর তিনি ১৪৮ হিজরী সনে পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনার ১৪ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) বাদ ইশা পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মাঝে মহা¬পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত অবস্থান মুবারক করেন ৫২ বছর ৩ মাস ২৭ দিন। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে তিনি বেমেছাল ছানা-ছিফত, ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান মুবারক উনার অধিকারী। তাই সকল মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাকে মুহব্বত করা, উনার পবিত্র জীবনী মুবারক জানা, উনাকে প্রতি ক্ষেত্রে অনুসরণ-অনুকরণ করা এবং সর্বত্র উনার বেশি বেশি আলোচনা করা।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আওলাদে রসূল হযরত আবূ শাফিয়িল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৩৪ হিজরীর পবিত্র ১৭ই রবীউল আউওয়াল শরীফ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। অসংখ্য পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বর্ণনা দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমানিত যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং মহাসম্মানিত হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মা’রিফাত-মুহব্বত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক পেতে হলে, সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে মুহব্বত করা প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই ফরয। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্পর্কে, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে এবং হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক ও বুযুর্গী মুবারক সম্পর্কিত ইলম না থাকার কারণেই অনেকে উনাদেরকে যথাযথ মুহব্বত ও অনুসরণ করতে পারছে না। যার ফলে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি মুবারক হাছিলে পুরোপুরি ব্যর্থ হচ্ছে। তাই উনাদের সম্পর্কে জানা বা ইলম অর্জন করা সকলের জন্যই ফরয। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আশ্চর্যের বিষয় হলো ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশের মাদরাসা, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে উনাদের সম্পর্কে কোনো আলোচনাই নেই। তাই, সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য ছিলো, মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের মহাপবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।