কাবুলে এক নারী উদ্যোক্তা ৪ লাখ আফগানি (আফগান মুদ্রা) বিনিয়োগ করে নারীদের জন্য একটি বিশেষ রেস্তোরাঁ চালু করেছেন। এতে ১০ জনেরও বেশি নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে।
আফগানিস্তানে নারী শিক্ষা এবং নারী কর্মসংস্থান দুটোরই সুযোগ আছে। তবে সেটা হতে হবে ইসলামী নীতিমালার আলোকে। অন্যথায় দুটোই নিষিদ্ধ। এখন আপনি সারাদিন ঘেউঘেউ করেন তাতে কিছুই আসে যায় না। শরীয়তের প্রশ্নে কারো ভ্রুকুচকানোকে তালেবান পরোয়া করে না।
শরীয়তের এই কঠোরতা কেবল নারীর ক্ষেত্রেই নয়, বরং পুরুষের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন পর্যায়ে প্রযোজ্য। যেমন পুরুষ চাইলেই সিনেমা হল বানাতে পারবে না, গানের কনসার্ট করতে পারবে না, মদের বার দিতে পারবে না।
অর্থাৎ শরীয়তের নীতিমালা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। তবে উভয়ের ক্ষেত্র এক নয়। ব্যস এইটুকুই পার্থক্য।