নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামউনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাস্সাম মুবারক উনার মধ্যে যা কিছু ছিলেন, সমস্ত কিছু ছিলেন পূত-পবিত্র থেকে পূত-পবিত্রতম ও মেশক-আম্বরসহ অন্যান্য সুগন্ধি থেকে লক্ষ কোটি গুণ বেশি সুগন্ধিময় এবং যারা উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুন নাজাত মুবারক অথবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক পান করতে পেরেছেন উনারা প্রত্যেকেই সর্বোচ্চ জান্নাতী (১)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
قَالَ حَضْرَتْ اَنَسٌ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ مَا شَـمِمْتُ عَنْۘبَـرًا قَطُّ وَلَا مِسْكًا وَّلَا شَيْـئًا اَطْيَبَ مِنْ رِّيْحِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন, যত প্রকারের সুগন্ধি আছে চাই তা মেশক হোক বা আম্বর হোক, আমি তার ঘ্রাণ গ্রহণ করেছি। কিন্তু কোনো সুগন্ধিই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাসসাম মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক তথা শরীর মুবারক) উনার সৌরভ মুবারক উনার সমতুল্য হতে পারে না।” সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ, শুয়াবুল ঈমান ৩/২৪, শিফা’ শরীফ ১/৬২ ইত্যাদি)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرِ بْنِ سَـمُرَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ وَاَمَّا اَنَا فَمَسَحَ خَدَّىَّ قَالَ فَـوَجَدْتُّ لِيَدِهٖ بَـرْدًا اَوْ رِيـْحًا كَاَنَّـمَا اَخْرَجَهَا مِنْ جُؤْنَةِ عَطَّارٍ
অর্থ: “হযরত জাবির ইবনে সামুরা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার উভয় গাল মুবারক-এ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক) সঞ্চালন করেন। আমি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক) থেকে এমন শীতলতা ও সুঘ্রাণ অনুভব করি, যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এই মাত্র আতর বিক্রেতার কৌটা থেকে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক) বের করে এনেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ, আল মু’জামুল কবীর ২/৩২৫, শরহুস সুন্নাহ ১৩/২৩২, মুছান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১১/৪৯৭, ফতহুল বারী ৬/৫৭৩, দীবাজ ৫/৩২৫, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
مَسَّهَا بِطِـيْبٍ اَوْ لَـمْ يَـمَسَّهَا يُصَافِحُ الْمُصَافِحَ فَـيَظَلُّ يَـوْمَهٗ يـَجِدُ رِيـْحَهَا وَيَضَعُ يَدَهٗ عَلـٰى رَاْسِ الصَّبِـىِّ فَـيُـعْرَفُ مِنْ بَـيْـنِ الصِّبْـيَانِ بِرِيـْحِهَا
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক-এ) খুশবু ব্যবহার করতেন বা না করতেন; কিন্তু যে ব্যক্তি একবার উনার সাথে মুছাফাহা করতো, সে সারা দিন নিজের হাত থেকে সুঘ্রাণ নিতে পারতো। সুবহানাল্লাহ! তার হাত থেকে মেশক আম্বরের চেয়ে অধিক সুঘ্রাণ বের হতো। সুবহানাল্লাহ! যদি তিনি কখনো কোনো শিশুর মাথায় স্নেহের হাত মুবারক বুলাতেন, তাহলে ঐ শিশুকে অন্যান্য শিশুদের মধ্যে ঐ সুগন্ধির কারণে চেনা যেতো।” সুবহানাল্লাহ! (শিফা’ শরীফ)