সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় জীবনী মুবারক
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (পর্ব- ১৭)
‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল বাশার আলাইহাস সালাম উনার নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ:
আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ আখিরাতের হিসাব অনুযায়ী অর্ধদিন আর দুনিয়াবী হিসাব অনুযায়ী ৫০০ বছর অবস্থান মুবারক করেন। তারপর তিনি পৃথিবীতে আগমন করেন। কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
فَلَمَّا قَدَرَ اللهُ الْاِجْتِمَاعَ بَيْنَ حَضْرَتْ اٰدَمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ وحَضْرَتْ حَوَّاءَ عَلَيْهَا السَّلَامُ عَلٰى عَرَفَاتَ اَرْسَلَ اللهُ اِلَيْهِ نَهْرًا مِّنَ الْجَنَّةِ فَاغْتَسَلَتْ حَضْرَتْ حَوَّاءُ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَانْتَقَلَتِ الْاَنْوَارُ اِلَيْهَا
অর্থ: “অতঃপর যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত ও পবিত্র আরাফার ময়দানে আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল বাশার আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের মধ্যে একত্রিত করণের বিষয় নির্ধারণ করলেন, তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত জান্নাত মুবারক থেকে একখানা নহর (ঝর্ণা) মুবারক উন্মুক্ত করে পাঠিয়ে দিলেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল বাশার আলাইহাস সালাম তিনি সেই নহর মুবারক উনার মধ্যে সম্মানিত গোসল মুবারক করেন। তারপর ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ তিনি কুদরতীভাবে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল বাশার আলাইহাস সালাম উনার নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নেন।” সুবহানাল্লাহ! (নুয্হাতুল মাজালিস)