একটা বিষয় খেয়াল করলাম। আমাদের প্রিয় নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদেরকে বে-ঈমান, কাফের, জাহান্নামী বানানোর জন্য যেই লোকগুলো সর্বোচ্চ চেষ্টা কোশেশ করে। নাঊযুবিল্লাহ! তাদের অবস্থা দেখে মনে হয় এই বিষয়টা প্রতিষ্ঠিত না করতে পারলে, তারা ঈমানদারই থাকতে পারবে না। যদিও বিষয়টা উল্টো।

ঠিক ঐ লোকগুলোই আবার ইয়াজিদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহিকে ঈমানদার বানানোর জন্য জান-মাল দিয়ে কোশেশ করে। তাদের কথা হচ্ছে এই মালউনটাকে কোনোভাবেই কাফের বলা যাবেনা। যদিও হাকীকতান সে ইবলিসের চেয়েও বড় কাফের, বড় মালউন। তার কাফের হওয়ার ব্যাপারে যারা সন্দেহ করবে তারাও কাফের হবে।

বলার বিষয় হলো এমনটা হওয়ার কারণ কি? কারণ হলো এরা যদিও নামধারী মুসলমান। কিন্তু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই, নেসবত নেই। যার কারণে এরা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের প্রতি বিশুদ্ধ আক্বীদাহ পোষণ করতে পারে নাই বা এখনো পারছে না। অপরদিকে মালউন ইয়াজিদের সাথে এদের নাড়ীর সম্পর্ক আছে। যার কারণে এরা তাকে কাফের বলতে সংকোচ বোধ করে। অথচ তার কাফের হওয়ার বিষয়টা স্পষ্ট।
এই কারণেই মুসলিমরা দুইভাগে বিভক্ত। হুসাইনী মুসলমান, ইয়াজীদি মুসলমান। এখন আপনি কোন দলে মিলাই নেন।