বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭৩)
(ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহে মহান আল্লাহ পাক উনার ৩ খানা
সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক প্রকাশের বর্ণনা

যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
هُوَ الَّذِىْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ فِىْ سِتَّةِ اَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوٰى عَلَى الْعَرْشِ
অর্থ: “তিনি সেই মহান আল্লাহ পাক যিনি আসমান—যমীন ৬ ধাপে সৃষ্টি করেছেন। ৬ ধাপে আসমান—যমীন সৃষ্টি করার পর আরশে ‘আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করে আলমে খ¦লক্ব ও আলমে আমরের মধ্যে পার্থক্য সূচনা করে দিয়েছেন।” সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা হাদীদ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৪) এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার ৩ খানা সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ মুবারক ঘটেছেন।
প্রথম শান মুবারক হচ্ছেন— মহান আল্লাহ পাক তিনি আসমান—যমীন ৬ ধাপে সৃষ্টি করেছেন। ৬ ধাপে আসমান—যমীন সৃষ্টি করার পর তিনি আরশে আযীমের দিকে বিশেষ দৃষ্টি বা বিশেষ শান মুবারক প্রকাশ করে আরশে আযীমকে তারতীব দান করেন অর্থাৎ সুবিন্নস্ত করেন। অর্থাৎ
لَقَدْ خَلَقْتُ الْعَرْشَ عَلَى الْمَاءِ فَاضْطَرَبَ فَكَتَبْتُ عَلَيْهِ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَكَنَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি পবিত্র আরশে আযীম উনাকে সৃষ্টি করেছি পানির উপর, তখন পবিত্র আরশে আযীম কাঁপতে ছিলেন। তখন আমি পবিত্র আরশে আযীম উনার উপর কালিমা শরীফ
لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ লিপিবদ্ধ করে দিলাম। তখন পবিত্র আরশে আযীম স্থির হয়ে গেলেন। অর্থাৎ সুবিন্নস্ত হয়ে গেলেন।” সুবহানাল্লাহ! (মুস্তাদরকে হাকিম ২/৬৭১, আস সাইফুল মাসলূল ‘আলা মান সাব্বার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৪৮১ নং পৃষ্ঠা)
এটা হলো প্রথম শান মুবারক।