1 d

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
⏰ সময়: ১০:০১ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ মুসা আশয়া’রী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে আর যারা যিকির করেনা তাদের মেছাল জীবিত এবং মৃতের ন্যায়।
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।
, ১৫ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৩ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ০২ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ১৯ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:

ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ মুসা আশয়া’রী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে আর যারা যিকির করেনা তাদের মেছাল জীবিত এবং মৃতের ন্যায়।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মর্মে বুঝা যায়, মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। বাহ্যিক দৃষ্টিতে জীবিত ব্যক্তি যেমন সমস্ত নিয়ামত ভোগ করতে পারে, মৃত ব্যক্তি কোনো নিয়ামত ভোগ করতে পারে না। তদ্রুপ যিকিরকারী ব্যক্তি সমস্ত নিয়ামত মুবারক অর্থাৎ রহমত, বরকত, সাকীনা লাভ করতে পারবে। অন্যদিকে যে ব্যক্তি যিকির করেনা সে কোনো রহমত-বরকত, সাকীনা লাভ করতে পারেনা এবং তার কোনো সম্মান-মর্যাদাও থাকেনা।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত উম্মুল মু’মিনীন হাদিয়া আশার আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজ হতে নিষেধ অথবা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির ব্যতীত আদম সন্তানের প্রত্যেক কথাই তার জন্য ক্ষতিকর, কল্যাণকর নয়। এ কারণে পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির ব্যতীত অতিরিক্ত কথা বলো না। কেননা, অতিরিক্ত কথা বলার দ্বারা অন্তর কঠিন হয়ে যায়। আর যার অন্তর কঠিন হয়ে যায় সে মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে দূরে সরে যায়। নাঊযুবিল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির না করার কারণে যাদের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছে তাদের জন্য ধ্বংস বা জাহান্নাম। নাঊযুবিল্লাহ! আর তারা প্রকাশ্য গোমরাহীর মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ গোমরাহী থেকে বাঁচতে হলে সর্বদা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মশগুল থাকতে হবে। আর দায়েমীভাবে যিকির করা তখনই সম্ভব হবে যখন যিকির জারী করা হবে। তাই যিকির জারী না হওয়া পর্যন্ত যিকির জারী করার কোশেশ করতে হবে।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত মালিক বিন আনাস রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার নিকট পৌঁছেছে নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, গাফিলদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে, পশ্চাতে পলায়নকারীদের মধ্যে বীরযোদ্ধাদের ন্যায় এবং গাফিলদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে, শুষ্ক গাছের মধ্যে কাঁচা ডালের ন্যায়। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, সবুজ গাছ শুষ্ক গাছের মধ্যে যেরূপ; গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলতও তদ্রুপ। গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে অন্ধকার ঘরে বাতির ন্যায়। আর গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলত বা মর্যাদা হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক তাকে (যিকিরকারীকে) জীবদ্দশায় জান্নাতের স্থান দেখাবেন। আর গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষ ও পশুর সংখ্যা পরিমাণ তার (যিকিরকারীর) গুনাহখতা ক্ষমা করে দিবেন। ফাছিহ দ্বারা উদ্দেশ্য আদম সন্তান এবং আ’যমু দ্বারা উদ্দেশ্য পশু। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।

পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ মুসা আশয়া’রী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে আর যারা যিকির করেনা তাদের মেছাল জীবিত এবং মৃতের ন্যায়।
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।
, ১৫ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৩ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ০২ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ১৯ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:

ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ মুসা আশয়া’রী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে আর যারা যিকির করেনা তাদের মেছাল জীবিত এবং মৃতের ন্যায়।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মর্মে বুঝা যায়, মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। বাহ্যিক দৃষ্টিতে জীবিত ব্যক্তি যেমন সমস্ত নিয়ামত ভোগ করতে পারে, মৃত ব্যক্তি কোনো নিয়ামত ভোগ করতে পারে না। তদ্রুপ যিকিরকারী ব্যক্তি সমস্ত নিয়ামত মুবারক অর্থাৎ রহমত, বরকত, সাকীনা লাভ করতে পারবে। অন্যদিকে যে ব্যক্তি যিকির করেনা সে কোনো রহমত-বরকত, সাকীনা লাভ করতে পারেনা এবং তার কোনো সম্মান-মর্যাদাও থাকেনা।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত উম্মুল মু’মিনীন হাদিয়া আশার আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজ হতে নিষেধ অথবা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির ব্যতীত আদম সন্তানের প্রত্যেক কথাই তার জন্য ক্ষতিকর, কল্যাণকর নয়। এ কারণে পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির ব্যতীত অতিরিক্ত কথা বলো না। কেননা, অতিরিক্ত কথা বলার দ্বারা অন্তর কঠিন হয়ে যায়। আর যার অন্তর কঠিন হয়ে যায় সে মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে দূরে সরে যায়। নাঊযুবিল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির না করার কারণে যাদের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছে তাদের জন্য ধ্বংস বা জাহান্নাম। নাঊযুবিল্লাহ! আর তারা প্রকাশ্য গোমরাহীর মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ গোমরাহী থেকে বাঁচতে হলে সর্বদা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মশগুল থাকতে হবে। আর দায়েমীভাবে যিকির করা তখনই সম্ভব হবে যখন যিকির জারী করা হবে। তাই যিকির জারী না হওয়া পর্যন্ত যিকির জারী করার কোশেশ করতে হবে।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত মালিক বিন আনাস রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার নিকট পৌঁছেছে নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, গাফিলদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে, পশ্চাতে পলায়নকারীদের মধ্যে বীরযোদ্ধাদের ন্যায় এবং গাফিলদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে, শুষ্ক গাছের মধ্যে কাঁচা ডালের ন্যায়। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, সবুজ গাছ শুষ্ক গাছের মধ্যে যেরূপ; গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলতও তদ্রুপ। গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে অন্ধকার ঘরে বাতির ন্যায়। আর গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলত বা মর্যাদা হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক তাকে (যিকিরকারীকে) জীবদ্দশায় জান্নাতের স্থান দেখাবেন। আর গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষ ও পশুর সংখ্যা পরিমাণ তার (যিকিরকারীর) গুনাহখতা ক্ষমা করে দিবেন। ফাছিহ দ্বারা উদ্দেশ্য আদম সন্তান এবং আ’যমু দ্বারা উদ্দেশ্য পশু। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।

আপনি এই কবির কবিতা
আপনি মোর ইশকেরই পিতা
আপনাতে আশিক উজ্বালা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা

চরাঞ্চলের উন্নয়নে পৃথক মন্ত্রণালয় ও আলাদা বাজেটের দাবি

চরাঞ্চলের মানুষের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পৃথক চর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন এবং চরবাসীর জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদ। এ দাবিতে গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের শতাধিক উপজেলার প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নদী ভাঙনের শিকার। অথচ দারিদ্র্য, অবহেলা ও পরিকল্পনার অভাবে চরাঞ্চলের মানুষ এখনো শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাই চরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে আলাদা পরিকল্পনা ও বিশেষায়িত সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।

লিখিত বক্তব্যে, বাংলাদেশ চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম জানান, কুড়িগ্রাম দেশের অন্যতম বৃহৎ চরাঞ্চল অধ্যুষিত জেলা। জেলায় প্রায় চার শতাধিক চর রয়েছে, যার মধ্যে আড়াই শতাধিক চরে মানুষের বসবাস। এসব এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন, দারিদ্র্য, যোগাযোগ সংকট এবং মৌলিক নাগরিক সুবিধার অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সংগঠনটির তথ্যমতে, গত ১০ বছরে কুড়িগ্রামে প্রায় এক লাখ মানুষ নদীভাঙনের কারণে গৃহহীন হয়েছে। নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে হাজারো পরিবারের বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকার উৎস। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা থেকেও ছিটকে পড়ছে। প্রতিবছর নতুন নতুন পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়ে অনিশ্চিত জীবনের মুখোমুখি হচ্ছে।

সিটি করপোরেশনের সেই ২ কর্মকর্তা বরখাস্ত

কুরবানির বর্জ্য অপসারণে দায়িত্বে অবহেলা করায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া দুই উপসচিবকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই দুই কর্মকর্তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তের আদেশাধীন ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে সরকারি চাকরি আইন এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ জন্য ১ জুন থেকে তাদের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তারা বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন।

কোরবানির ঈদের পরদিন গত জুমুয়াবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিনরোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকার কিছু স্থানে কোরবানির বর্জ্যসহ আগের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা রাস্তার ওপরেই পড়ে থাকতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে দায়িত্ব অবহেলার জন্য তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই দিনই তাদের সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

৩০০ টাকায় চামড়া কিনে ১০০ টাকায় বিক্রি, শত শত পশুর চামড়া রাস্তায় ফেললেন ব্যবসায়ীরা

সরকার নির্ধারিত মূল্য থাকলেও মাঠপর্যায়ে সেই দামে চামড়া বিক্রি না হওয়ায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী ও খুচরা সংগ্রহকারীরা। অনেক এলাকায় শত শত চামড়া সড়কের পাশে ফেলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ৩০০ টাকায় চামড়া কিনে তা আড়তে বিক্রি করেছে মাত্র ১০০ টাকায়। এতে লাভ তো দুরের কথা গাড়ি ভাড়াও তুলতে পারছেন না তারা। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এসব ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া না কিনে সিন্ডিকেট করে নিজেদের ইচ্ছেমতো চামড়া কিনছেন আড়ৎদাররা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক বলেন, চামড়া কিনে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করেও লোকসান গুনতে হচ্ছে। বাজারে দাম না থাকায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুরাতন কাচারি মোড় ও টি.এ. রোড এলাকায় গরু, মহিষ ও ছাগলের শত শত চামড়া সড়কের পাশে ফেলে রাখতে দেখা যায়। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পথচারীদের ভোগান্তি বাড়ে।

স্থানীয়রা জানান, ৫০০ টাকায় কেনা চামড়া ২০০ টাকাতেও বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে অনেক ব্যবসায়ী চামড়া রাস্তায় ফেলে চলে যান।

মৌসুমি ব্যবসায়ী আলম বলেন, বড় আড়তদাররা চামড়া কিনতে না আসায় দাম আরও কমে গেছে। ফলে লোকসান ঠেকানো সম্ভব হয়নি।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া এবং সিন্ডিকেটের কারণে চামড়ার দাম পড়ে গেছে। অনেকে বলছেন, সীমান্তে কড়াকড়ি ও রপ্তানি সীমাবদ্ধতার কারণেও বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।

আরেক ব্যবসায়ী রফিক বলেন, দিন যত যাচ্ছে চামড়ার বাজার ততই খারাপ হচ্ছে। এবার ক্রেতার সংকট সবচেয়ে বেশি।

লাহমুন মুছলাহুন অর্থাৎ শুকনা গোশ্ত খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক


আরবীতে مصلح لحم (লাহমুন মুছলাহুন) শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে শুকনা গোশ্ত। অর্থাৎ কাঁচা গোশ্তকে রোদে শুকানোর পর গোশ্তের ভেতরে থাকা পানি সম্পূর্ণরূপে শুকানোর পর গোশ্তের যে অবস্থাটি তৈরি হয় তাকে লাহমুন মুছলাহুন বা শুকনা গোশ্ত বলা হয়। এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ ثَوبانَ رَضِيَ اللهُ تعالٰى عَنْهُ قَالَ ضحَّى رسولُ الِلّٰل صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، ثمَّ قالَ: يا ثَوبانُ رَضِيَ اللهُ تعالٰى عَنْهُ أصلِح لَنا لحمَ هذِهِ الشَّاة قَالَ فما زلتُ أُطعمُهُ منها حتَّى قدِمنا المدينةَ.

অর্থ: “হযরত ছাওবান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারকে আমরা ছফরে থাকা অবস্থায় একটি দুম্বা জবাই করলাম এবং তিনি এই গোশ্ত শুকাতে আমাকে আদেশ মুবারক করলেন। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারকে এই গোশ্ত পেশ করেছি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে পৌঁছার পূর্ব পর্যন্ত।” (আবূ দাঊদ শরীফ : পবিত্র হাদীছ শরীফ নং ২৮১৪)

উপকারিতা: লাহমুন মুছলাহুন খুবই সুস্বাদু খাবার, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ, চর্বিহীন ও ক্যালসিয়ামের উৎস।

সুন্নতী খাবার শুকনা গোশ্ত তৈরির প্রক্রিয়া:

১. গোশ্ত চিকন করে দড়ির আকৃতিতে কাটতে হবে অথবা পাতলা বিস্কুট আকৃতিতে কাটতে হবে।
২. হলুদ বাটা বা হলুদগুড়ার পেস্ট গোশ্ত মাখিয়ে নিতে হবে ।
৩. কাটা গোশ্তের মাঝখানে ধাতব তার বা চিকন লোহা দিয়ে ছিদ্র করতে হবে ।
৪. নিরাপদ স্থানে রোদে শুকাতে হবে।

সংরক্ষণ পদ্ধতি: বায়ুরোধক কাঁচের বোতল বা কৌটায় শক্তভাবে মুখ আটকিয়ে রাখতে হবে। ঠান্ডা ও শুষ্কস্থানে রাখতে হবে। ফ্রীজে সংরক্ষণ করা হলে সুন্নতী খাবার শুকনা গোশ্ত ১বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।
লাহমুন মুছলাহুন রান্নার প্রণালী: ৫০ গ্রাম লাহমুম মুছলাহুন প্রথমে ১৫-২০ মিনিট চুলায় জাল দিয়ে ছেকে রাখুন। তারপর স্বাভাবিক গোশ্তের মতোই রান্না করুন।

সুন্নতী খাবার শুকনা গোশ্তের উপকারিতা:

১. ক্যালসিয়ামের উৎস
২. ভিটামিন ডি
৩. চর্বিহীন
৪. রান্নাকৃত শুকনা গোশÍ স্বাস্থ্যকর, সুস্বাদু এবং অনেকদিন পর্যন্ত খাওয়া যায়।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَطِيعُوا الرَّسُولَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ইতায়াত মুবারক করো অবশ্যই তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হবে।” (পবিত্র সূরা নূর শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ- ৫৬)
কাজেই, উল্লেখিত মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ দ্বারা প্রমাণীত হলো, যে ব্যক্তি পবিত্র সুন্নত মুবারক আদায়ের লক্ষে লাহমুন মুছলাহুন খাবেন এবং যে কোন মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক আদায় করবেন, উনার প্রতি মহান আল্লাহ পাক তিনি খাছ রহমত মুবারক দান করবেন।
যাতে করে বান্দা-বান্দী, উম্মত মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালনের মাধ্যমে সহজেই সেই রহমত-বরকত লাভ করতে পারে, সেজন্য খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচারকেন্দ্র।
এখানে, সকল প্রকার মহাসম্মানিত সুন্নতী দ্রব্য সামগ্রী পাওয়া যায়। আমাদের দায়িত্ব হলো আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচারকেন্দ্র থেকে সকল প্রকার দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করা।

‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী খাবার “লাহমুম মুছলাহুন”

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক জিন্দা করলেন, তিনি মূলত আমাকেই জিন্দা করলেন। আর যে ব্যক্তি আমাকে জিন্দা করলেন, তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ প্রবেশ করবেন। সুবহানাল্লাহ!

আরবী লাহুমুন মুসলাহুন শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে ‘শুকনা গোশত’। খাদ্য হিসেবে লাহমুন মুছলাহুন বা শুকনা গোশত খাওয়া খাছ সুন্নাত উনার অন্তর্ভুক্ত। হযরত ছাহাবায়ে আযমাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে তরকারীসহ রান্না করা লাহুমুম মুছলাহুন পেশ করেছেন। সুবাহানাল্লাহ!

লাহমুম মুছলাহুন রান্নার প্রণালী: ৫০ গ্রাম লাহমুম মুছলাহুন প্রথমে ১৫-২০ মিনিট চুলায় জাল দিয়ে ছেকে রাখুন। তারপর স্বাভাবিক গোশতের মতোই রান্না করুন। বরকতময় এ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় সুন্নতী বিষয়াদিসহ সকল প্রকার সুন্নতী সামগ্রী সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন-

আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র, সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ গেট, ৫ আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা- ১২১৭

ফোন: ০১৭৮২-২৫৫২৪৪ (WhatsApp, Telegram) E-mail: sunnat.info@gmail.com Website: sunnat.info

আসসালামু আলাইকুম, বাংলাদেশের পররাষ্টমন্তী ডক্টর খলিল, সে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১ তম অধিবেশনের সভাপতি হওয়ায় তাকে অভনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,,,

সূএ বাংলাদেশ প্রতিদিন,