একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (১০)
কাজেই, এটা মওযূ হাদীছ। মানুষ অনুমান করে বর্ণনা করে। ঐ শয়তানটা থাকেই না। এরকম কোনো কিছুই থাকে না। ঐ হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম উনি একা থাকেন। তারপর যেহেতু পবিত্র করার মত পবিত্র করা হয়, তাহলে তো নাপাকি থাকতে পারে না। তাহলে একটা শয়তান থাকে কিভাবে? আসলে শয়তান বা জিনটা হলো কাফের। জিনটা হলো কাফের। বুঝেছো? এখন মানুষ আসলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে পবিত্রতা মুবারক এটা বুঝতে পারেনি।
جُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا
‘আমার সম্মানার্থে মহান আল্লাহ ৃপাক তিনি সমস্ত যমীনকে পবিত্র করেছেন, নামাযের স্থান করে দিয়েছেন। অর্থাৎ নামায পড়ার মত পবিত্র করে দিয়েছেন।’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক নেয়ার কারণে যদি এরকম হয়, সমস্ত যমীনকে পবিত্র করে দেয়া হয়, তাহলে উনার অবস্থা মুবারক কী?
কতগুলি মওযূ হাদীছ দিয়ে এ সমস্ত নানান ফেতনা সৃষ্টি করেছে। বুঝতে পেরেছো কথাগুলি? নাকি বুঝোনি? হঁ্যা?