একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৯)
মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার মাসআলা হচ্ছেন— মানুষের ইস্তিঞ্জা ও রক্ত খাওয়া বা পান করা হারাম। কেউ যদি তা হালাল মনে করে পান করে, সে কাট্টা কাফির হয়ে চির জাহান্নামী হবে। না‘ঊযুবিল্লাহ! কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাস্সাম মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শরীর মুবারক) উনার মধ্যে যা কিছু ছিলেন, সমস্ত কিছু পূত—পবিত্র থেকে পূত—পবিত্রতম এবং মেশক—আম্বরসহ অন্যান্য সুগন্ধী থেকে লক্ষ—কোটি গুণ বেশি সুগন্ধীময়। শুধু তাই নয়; যারা উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোট ইস্তিঞ্জা মুবারক) পান করতে পেরেছেন উনারা প্রত্যেকেই সর্বোচ্চ জান্নাতী। স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনাকে বলেছেন,
اِنَّكِ لَنْ تَشْتَكِىْ بَطْـنَكِ بَـعْدَ يَـوْمِكِ هٰذَا اَبَدًا
‘নিশ্চয়ই আপনি আজকের পর থেকে চিরকালের জন্য আর কখনও পেটের পীড়ায় ভুগবেন না’।” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন,
لَقَدِ احْتَظَرَتْ مِنَ النَّارِ بِـحِظَارٍ
‘নি:সন্দেহে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি অবশ্যই একটি বিশাল রক্ষাকবচ দিয়ে নিজেকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেছেন’।” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ)
তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতা মুবারক কতটুকু, সেটা সমস্ত জিন—ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভিতরে একটা শয়তান থাকে কিভাবে? হঁ্যা? বুঝো আমার কথাটা? বুঝতে পেরেছো?