একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৫)
মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
‘তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেন।’
প্রকৃতপক্ষে উনাদের সাথে এই জিনটা থাকেই না। এটা পুরা বের করে দেওয়া হয়।
তারপর যেমন— হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি বলেছেন যে, ‘ওলীআল্লাহ যত বড়ই হোক না কেনো— আব, আতেশ, খাক, বাদের তাছীরের কারণে কিছু কাজ এদিক—সেদিক হতে পারে।’ আসলে হাক্বীক্বীতটা হচ্ছে— ঐ যে জিনটা থাকে, ঐ জিনটার কারণে ব্যাতিক্রম কিছু হতে পারে। আর ঐটা যখন বের করে দেওয়া হয়, তখন ঐ তাছীরটা আর থাকে না।
একজন হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিস সালাম উনার থেকে যদি এটা বের করে দেওয়া হয়, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এটা থাকে কিভাবে? হঁ্যা? বুঝো আমার কথাগুলি? ফিকির না করলে তো বুঝবে না এটা। এটা মানুষ বুঝবে না। বিষয়টা কঠিন বিষয়। একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম থাকেন, হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম উনি নেক কাজে উৎসাহিত করেন। আর জিনটা থাকে, এটা কাফের, এটা বদ কাজে ওয়াসওয়াসা দেয়। এখন নেক কাজ করলে জিনটা দূর্বল হয়ে যায়। আবার যখন মানুষ গুনাহ্ বেশি করে, তখন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম উনি দূর্বল হয়ে যান। তখন সে গুনাহর কাজ করে বেশি। জিনটাকে যখন বের করে দেওয়া হয়, তখন আর এই তাছীরটা থাকে না।
মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
‘তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেন।’
প্রকৃতপক্ষে উনাদের সাথে এই জিনটা থাকেই না। এটা পুরা বের করে দেওয়া হয়।
এখন যদি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে এই জিনটা না থাকে, উনাদের থেকে বের করে দেওয়া হয়, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক—এ যে বলা হচ্ছে— ‘একটা জিন ছিলো, ঈমান এনেছে।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! তাহলে এটা থাকে কিভাবে? এটা মওযূ হাদীছ। মিথ্যা হাদীছ। হাদীছটা মওযূ, মিথ্যা। বুঝতে পেরেছো এখন?