একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৩)
এখন এই পবিত্র হয় কি করে? বলো দেখি। হঁ্যা? পবিত্র হয় কি করে? ঐযে একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ রয়েছেন, ‘প্রত্যেক মানুষের সাথে একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম থাকেন, একটা জিন থাকে।’ এটা সবার জন্যই আমভবে।
এখন এই জিনটা কি মুসলমান, না কাফের? বলো দেখি? ‘মানুষের সাথে একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম থাকেন, একটা জিন থাকে ।’ জিনটা কি মুসলমান, না কাফের? হঁ্যা? জানো না?
এ বিষয়ে একটা হাদীছ আছে। যেটা সবাই বলে থাকে। সেটা হলো— নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি একদিন ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের সাথে একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম থাকেন, যিনি নেক কাজে উৎসাহিত করেন। আরেকটা জিন থাকে।’
আসলে এটা ঈমানদার না, এটা কাফের। এটা ওয়াসওয়াসা দেয় হারাম কাজে।
মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারীরা বলে থাকে— নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি যখন এটা ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে কি আপনার সাথেও আছে?’ না‘ঊযুবিল্লাহ!
মওযূ হাদীছটির বর্ণনাটা এরকম— ‘হঁ্যা; আছে। কিন্তু এটা মুসলমান হয়ে গেছে।’ না‘ঊযুবিল্লাহ!
(এতটুকু শুনেই মজলিসে উপস্থিত কেউ কেউ ‘সুবহানাল্লাহ’ বলে। তখন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,) এটা ‘সুবহানাল্লাহ’ বলার জায়গা না। বুঝোনি তোমরা। এই হাদীছটা হচ্ছে মওযূ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভিতরে একটা কাফের প্রবেশ করবে, পরে এটা ঈমানদার হবে? হঁ্যা? উনার ভিতরে নাপাকি আছে কিছু? তাহলে কুফরীটা থাকে কিভাবে? কাফেরটা থাকে কিভাবে ভিতরে? হঁ্যা? বুঝো আমার কথাগুলি? তোমরা সবাই বুঝবে না। আন্দাজে তো ‘সুবহানাল্লাহ’ বলে ফেললে। হঁ্যা? এই হাদীছটা হলো মওযূ হাদীছ। তাদের বক্তব্য হচ্ছে— ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে যেই জিনটা ছিলো, এটা কাফের, এটা ঈমান এনেছে।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! উনার সাথে একটা কাফের থাকে কিভাবে? হঁ্যা? কিভাবে থাকে?